মাথায় প্রচন্ড খুশকি। নিয়মিত শ্যাম্পু ব্যবহার করি, তারপরও দূর হচ্ছে না। কী করা যেতে পারে?
খুশকির সমস্যা যেন প্রত্যেকের জীবনের একটি দৈনন্দিন সমস্যা। সমস্যাটি খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ না হলেও বা এটিকে আমরা খুব বেশি গুরুত্ব না দিলেও মাঝে মধ্যে কিন্তু এই মাথার খুশকি মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সাধারণত বর্ষাকালে এবং শীতকালে মাথায় খুশকির প্রবণতা বাড়ে। তবে এখন সারা বছরই আবহাওয়া যে ভাবে পরিবর্তন হচ্ছে তার জন্য সব সময়েই খুশকির সমস্যা লক্ষ্য করা যায়।

আপনার ঘরে থাকা কয়েকটি জিনিস দিয়েই আপনি সহজেই এই খুশকির সমস্যার সমাধান করতে পারবেন। আসুন জেনে নিন কিভাবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে খুশকি সমস্যা দূর করবেন অর্থাৎ খুশকি দূর করার ঘরোয়া উপায়।

চুল ঝরা ও খুশকির সমস্যা থেকে রেহাই পেতে এই কর্পূরের টোটকাটিকে কাজে লাগাতে পারেন। আপনি মাথায় নিয়মিত যে তেল ব্যবহার করেন তার সঙ্গে কর্পূর মিশিয়ে একটু গরম করে মাথার স্ক্যাল্পে মালিশ করুন। কিছুদিন এই ভাবে ব্যবহার করলে চুলের গোড়া শক্ত হয়ে চুল ঝরার পরিমাণ অনেকটা কমে যায়। চুলে শ্যাম্পু করার আগে এই তেলের মিশ্রণ মাথার তালুতে ও চুলে মাখলে এটি খুশকির সমস্যাও দূর করতে সাহায্য করবে। ক্যাম্ফর অয়েল বা কর্পূরের তেল হেয়ার মাস্কের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করলে চুলে সফটনেস আসে, চুল সাইন করে আর চুলের গ্রোথও হয়।
অনেক নামি দামি শ্যাম্পু ব্যবহার করেও যখন কোনো লাভ হয়নি। এরপর থেকে যখনি শ্যাম্পু করবেন তখন দুটো অ্যাসপিরিন ট্যাবলেট গুঁড়ো করে শ্যাম্পুর সাথে মিশিয়ে নেবেন। মিশ্রণটি আপনার চুলে ১-২ মিনিটের জন্য রেখে দেবেন ও তারপর ভালভাবে ধুয়ে ফেলবেন এবং সবশেষে প্লেইন শ্যাম্পু দিয়ে আবার চুল ধুয়ে ফেলবেন। তাহলেই দেখবেন কিছুদিনের মধ্যেই সুফল পেয়ে যাবেন।
চুলের খুশকি দূর করতে অলিভ অয়েলের জুড়ি নেই। অলিভ অয়েল গরম করে নিন। তারপর এতে পাতিলেবুর রস মেশান পরিমান মতো । মিশ্রণটি চুলের গোড়ায় ও তার সাথে পুরো চুলে লাগিয়ে ১ ঘণ্টা রেখে দিন। এরপর চুল ভালো করে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার এই পদ্ধতিটি প্রয়োগ করুন । খুশকি দূরের পাশাপাশি চুল হবে কোমল ও ঝলমলে। এই পদ্ধতিতে অলিভ অয়েল না থাকলে নারকেল তেলও ব্যবহার করতে পারেন।

Pin It on Pinterest

Share This
My title page contents