বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

ইতিহাস: 

চিকিৎসা শিক্ষায় স্নাতকোত্তর কোর্স প্রদানের জন্য ১৯৬৫ সালে ঢাকায় ইনস্টিটিউট অব পোস্ট গ্রাজুয়েট মেডিসিন অ্যান্ড রিসার্চ (IPGMR) প্রতিষ্ঠিত হয়। স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষা ও গবেষণার দায়িতপ্রাপ্ত হলেও এই সংস্থার ডিগ্রি প্রদানের ক্ষমতা ছিল না। এটি ন্যস্ত হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর। IPGMR কার্যক্রমসহ অনেকগুলি চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ের এম.বি.বি.এস ডিগ্রি প্রদান করত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৯৮ সালের ৩০ এপ্রিল সংসদীয় অধ্যাদেশের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়। এমবিবিএস কোর্স চালু করা হলেও এই প্রতিষ্ঠানে পূর্বাপর কেবল স্নাতকোত্তর শিক্ষা প্রদান করা হতো।

উপাচার্য:

  • এম. এ. কাদেরি (৩০ এপ্রিল ১৯৯৮ – ৯ জানুয়ারী ২০০১)
  • মো. তাহির (১০ জানুয়ারী ২০০১ – ১৭ মে ২০০১)
  • মাহমুদ হাসান (১৮ মে ২০০১ – ২৩ নভেম্বর ২০০১)
  • এম. এ হাদি (২৪ নভেম্বর ২০০১ – ২১ ডিসেম্বর ২০০৬)
  • মো. তাহির (২১ ডিসেম্বর ২০০৬ – ৪ নভেম্বর ২০০৮)
  • মো. নজরুল ইসলাম (৫ নভেম্বর ২০০৮ – ২৪ মার্চ ২০০৯)
  • প্রাণ গোপাল দত্ত (২৫ মার্চ ২০০৯ – ২৪ মার্চ ২০১৫)
  • কামরুল হাসান খান (২৪ মার্চ ২০১৫ – ২৩ মার্চ ২০১৮)
  • কনক কান্তি বড়ুয়া (২৪ মার্চ ২০১৮ – বর্তমান)

বর্ণনা:

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নামানুসারে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়টির নামকরণ করা হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি হাসপাতাল আছে যাতে উন্নতমানের চিকিৎসা প্রদানের আয়োজন আছে। প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য ছিলেন অধ্যাপক কাদরী।[৩] বিশ্ববিদ্যালয়টিতে মোট পাঁচটি বহুতল ভবন আছে; ব্লক এ, বি, সি, ডি এবং কেবিন ব্লক। শিক্ষা,গবেষণা এবং চিকিৎসা সমান্তরালভাবে চলে এই মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়টিতে। শুক্রবার এবং সরকারী ছুটির দিন ছাড়া সকাল আটটা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত প্রশাসনিক দপ্তর খোলা থাকে।

অবস্থান:

ঢাকার শাহবাগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত। ঠিক পাশেই রয়েছে আরেকটি প্রতিষ্ঠান ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন ইন ডায়াবেটিস, এন্ডোক্রাইন অ্যান্ড মেটাবোলিক ডিসঅর্ডারস (বারডেম)।

অনুষদ সমূহ:

ক্যাজুয়ালটি ডিপার্টমেন্ট, মেডিসিন বহির্বিভাগ, সার্জারি, নিউরোসার্জারি,, গ্যাস্ট্রোএন্টারলজি, হেমাটোলজি, হেমাটোলজি, সাইকিয়াট্রি, পিডিয়াট্রিক সার্জারি এবং এবং হাসপাতালের ডিসপেনসারি আলাদা একটি কমপ্লেক্সে অবস্থিত।

আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন উইকিমিডিয়া / বিএসএমএমইউ

সুত্র: ইউকিপিডিয়া

Pin It on Pinterest

Share This
My title page contents