এস এস সি সংক্ষিপ্ত সিলেবাস ২০২১ | SSC Short Syllabus 2021

এস এস সি সংক্ষিপ্ত সিলেবাস ২০২১ | SSC Short Syllabus 2021

এস এস সি সংক্ষিপ্ত সিলেবাস ২০২১

এস এস সি সংক্ষিপ্ত সিলেবাস PDF আকারে ডাউনলোড করুন Ministry of Bangladesh given SSC Short Syllabus 2021 PDF Download Here Kazi IT Zone. নিচের ‍SSC Syllabus লিংকে ক্লিক করে সম্পূর্ণ সিলেবাসটি ডাউনলোড করে নিন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরে ২০২১ সালের সিলেবাস অনুযায়ী এ বছরের এসএসসি পরীক্ষা আয়োজনের জন্য,

SSC Short Syllabus 2021 | All Syllabus PDF Download – Job.kaziITzone

এসএসসি সিলেবাস ২০২১ (এস এস সি পরীক্ষার সংক্ষিপ্ত সিলেবাস)

দৈনিক শিক্ষার আপডেড সংবাদ জানতে আমাদের সঙ্গে থাকুন।

HSC BM Assignment – এইচ এস সি বিএম এ্যাসাইনমেন্ট

HSC BM Assignment – এইচ এস সি বিএম এ্যাসাইনমেন্ট

HSC BM Assignment – বিএম এ্যাসাইনমেন্ট

HSC BM Assignment – এইচ এস সি বিএম এ্যাসাইনম্যান্ট. Business Management College (BM Assignment) ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা সম্পূর্ণ বাংলা ও ইংরেজী সহ সকল বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্ট কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক প্রকাশিত assignment www.kaziitzone.com.উত্তরসহ দেখুন অথবা সার্চ করুন এইচএসসি বিএম বাংলা ও ইংরেজি অ্যাসাইনমেন্টর উত্তর – HSC BM Assignment Bangla & English Answers Full

এইচ এস সি বিএম বাংলা এ্যাসাইনমেন্ট উত্তরসহ

বাংলা অ্যাসাইনমেন্ট এবং উত্তর- Covid-19 পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বাের্ডের অধীন এইচএসসি বিএম শিক্ষাক্রমের একাদশ শ্রেণির বাের্ড ফাইনাল বাংলা পরীক্ষা-২০২০ এর ফলাফল এ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে প্রক্রিয়াকরণের জন্য নির্ধারিত কাজ ও মূল্যায়ন নির্দেশনা দেখুনঃ

Bangla Assignment Answer HSC (BM)

অপরিচিতা গদ্যঃ 

১। শিউলি ইডেন কলেজ থেকে বাংলায় এমএ পাশ করেছে, তাই তার বাবা বিয়ে ঠিক করে ফেললাে। পাত্র উচ্চ শিক্ষিত এবং সুদর্শন হওয়ায় শিউলি বিয়েতে রাজি হয়ে যায়। বিয়ের অনুষ্ঠানে এসে বিয়ের পূর্ব মূহুর্তে পাত্রের বাবা মােটা অংকের যৌতুক দাবি করায় শিউলি এবং তার বাবা মন স্থির করলাে যে, সে এমন পাত্রকে বিয়ে করবে না। তাই বিয়ের আসর থেকে পাত্রকে ফিরিয়ে দিলাে।

ক. হরিশ কোথায় কাজ করে?
খ. “মেয়ের বয়স যে, পনেরাে তাই শুনিয়া মামার মন ভার হইলাে কেন”? বুঝিয়ে দাও।
গ. উদ্দীপকের শিউলির সাথে অপরিচিতা গল্পের কার সাথে সাদৃশ্য পাওয়া যায় আলােচনা কর।
ঘ. উদ্দীপকের আলােকে অপরিচিতা গল্পের তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর?

Bangla Assignment Business Management College

পদ্য: তাহারেই পড়ে মনে
এ্যাসাইনমেন্টানিধারিত কাজ

২। ফাতেমা আক্তারের স্বামী বিয়ের এক বছরের মধ্যেই মারা যান। প্রানপ্রিয় স্বামীর অকাল মৃত্যুতে তার হৃদয়ে বেদনার ছায়া নেমে আসে। স্বামী বেঁচে থাকতে ফাতেমা সারাক্ষণ আনন্দ উল্লাসে মেতে থাকতাে। অথচ, এখন তার জীবনে কেবলই বিষন্নতা।

ক. বরিয়া শব্দের অর্থ কি?

উত্তরঃ বরিয়া শব্দের অর্থ বরণ করে।

খ. “রিক্ত হস্তে! তাহারেই পড়ে মনে, ভুলিতে পারি না কোনাে মতে” এই পংক্তি দ্বারা কবি কি বুঝিয়েছেন? ব্যাখ্যা কর।

বিএম এ্যাসাইনম্যান্ট

এসাইনম্যান্ট বাংলা বিএম একাদশ এইচএসসি

গ. ফাতেমার স্বামী হারানাের বেদনা তাহারেই পড়ে মনে কবিতার সাথে কতটুকু মিল পাওয়া যায় আলােচনা কর?

BM Assignment

ঘ. উদ্দীপকের আলােকে “তাহারেই পড়ে মনে” কবিতার মূলভাব বিশ্লেষণ কর।

assignment bm technical

BM HSC Assignment

লালসালু উপন্যাস

৩। শাহাজাহান মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী জুলেখা ঘুমকাতুরে। এ মেয়েটি ঠিকমতাে নামাজ পড়ে না, সারাক্ষণ ঘুম আর ঘুম। কিন্তু শাহাজাহান মিয়া এ বিষয়ে খুবই কঠোর। নামাজ না পড়ার অপরাধে সে স্ত্রীকে কঠোর শাস্তি দিতেও দ্বিধা করে না। এ রকম এক পরিস্থিতিতে একদিন সে তার প্রথম স্ত্রীকে বলে, “খােদার কামে ঐ সব ফাইজলামি চলে না। যাও, গিয়ে তারে ঘুম থিক্যা তােল, তারপর নামাজ পড়বার কও”।

ক. ‘লালসালু’ উপন্যাসে স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছিল কে?

উত্তরঃ লালসালু উপন্যাসে স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছিল আক্কাস মিঞা।

খ. ‘জোরে হাইস না বইন, মাইনষে হনবাে।’ উক্তিটির অর্থ কী? বুঝিয়ে দাও?

অ্যাসাইনমেন্ট

গ. উদ্দীপকের জুলেখা ‘লালসালু উপন্যাসের কোন চরিত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর?

বাংলা এ্যাসাইনমেন্ট

ঘ. উদ্দীপকটি ‘লালসালু উপন্যাসের একটি বিচ্ছিন্ন অংশমাত্র, সর্বাংশ নয়। মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর?

hsc assignment bm

Assignment BM Technical

গদ্য মাসি-পিসি

১। মা মরা মেয়ে নাজিরা। অনেক জাঁকজমকের সাথে বাবা তাকে মিয়াবাড়িতে বিয়ে দেয়। কিন্তু বিয়ের এক বছরের মাথায় বাবাও মারা যান। এদিকে নাজিরার উপর তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লােকজনের অত্যাচারও বেড়ে যায়। নাজিরার এ দু:খের দিনে তার পাশে এগিয়ে আসেন নাজিরার খালা। খালার আশ্রয়েই নাজিরা এখন নিরাপদ জীবনযাপন করছে।

ক. আহ্লাদির স্বামীর নাম কী?

উত্তর: আহ্বাদী স্বামীর নাম জণ্ড

খ. “সােয়ামি নিতে চাইলে বৌকে আটকে রাখার আইন নেই”। -অর্থ কী? বুঝিয়ে লেখ?

উত্তর: 

গ. উদ্দীপকের নাজিরা “মাসি পিসি” গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিরুপ? আলােচনা কর?

bangla asanment

বিসিএস ভাইভা প্রস্তূতি

বিসিএস ভাইভা প্রস্তূতি

বিসিএস ভাইভার প্রস্তূতি কথাঃ

ক.   বিসিএস ভাইভা প্রস্তূতি  সংবিধান প্রনয়নের সাথে কারা কারা জড়িত ছিলেন, খসড়া অবস্থায়, উপস্থাপনের তারিখ, গৃহিত হওয়ার তারিখি, স্বাক্ষরকারীরা, অধ্যাদেশ জারি, কমিটি গঠনের প্রেক্ষাপট, কে স্বাক্ষর করলেন না, নারী ছিলেন কি না, অঙ্গসজ্জা কে করলেন, কে হাতে লিখলেন, কোন দেশের সংবিধান অনুসরন করলেন, ইত্যাদি জেনে নিতে হবে ।

খ.      সংবিধানের ১৫৩ অনুচ্ছেদের মধ্যে নিচের অনুচ্ছেদগুলো ভালো করে পড়তে হবে । যথা :

২(ক), ৩, ৪, ৪(ক), ৫, ৬, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ১৭, ১৮, ১৮(ক), ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৩, ২৩(ক), ২৪, ২৫, ২৭ম, ২৮, ২৯, ০৩, ২১, ৩২, ৩৩, ৩৪, ৩৫, ৩৬, ৩৭৩, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১, ৪২, ৪৩, ৪৯, ৫২, ৫৫, ৫৭, ৫৯, ৬০, ৬৪, ৬৫, ৬৬, ৬৭, ৭০, ৭৬, ৭৭, ৮১, ৮৭, ৯১, ৯৩, ৯৪, ১০২, ১০৬, ১০৮, ১১৭, ১১৮, ১২১, ১২২, ১৩২, ১২৭, ১৩৭, ১৩৮, ১৩৯, ১৪০, ১৪১, ১৪১(ক), ১৪১(খ), ১৪১(গ),১৪২, ১৪৮, ১৫৩ ।

গ.      সংবিধানে আলোচিত বিষয়গুলো একটু সাজিয়ে নেবেন । যেমন ৭০ নম্বর অনুচ্ছেদ থাকা উচিত কি না, রাষ্টধর্ম কিভাবে দেখেন, কিছু বিষয় সংশোধন-অযোগ্য কেন ইত্যদি ।

ঘ.      সংবিধানের ৭ টি তফসিলের ,মধ্যে তৃতীয়, পঞ্চম, ষষ্ঠ ও সপ্তম তফসিল ভালো করে পড়বেন ।

ঙ.      বাংলাদেশ সংবিধান এ পযন্ত ১৭ বার সংশোধিত হয়েছে । এটি পরিবর্তনযোগ্য । তাই এটি খেয়াল রাখতে হবে । এই সংশোধনের কিছু আবার বাতিল ঘোষনা করা হয়েছে । দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, অষ্টম, দ্বাদশ, ত্রয়োদশ (বাতিল), চতুর্দশ, পঞ্চদশ, ষাড়শ সংশোধনী ভালো করে পড়বেন । সালটা আর ‍মুল বিষয়বস্ত মনে রাখবেন । তবেই হবে ।

চ.      উচ্চ আদালত মাঝেমধ্যে সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদ বা সংশোধনী নিয়ে রায় বা মন্তব্য দেন , তা মনে রাখতে হবে । এগুলো ভাইভায় বেশি জিজ্ঞাসা করা হয় ।

ছ.      নিজ বিষয় সম্পর্কে জানতে হলে নিজেকেই চেষ্টা করতে হবে । এ ক্ষেত্রে সাধারন বিষয়গুলো বেশি জিজ্ঞাসা করা হয় । তাই এজন্য প্রথম বা দ্বিতীয় বর্ষের বইগুলো একটু দেখে নিবেন । সম্ভব হলে শিক্ষক নিবন্ধনের গাইড বইগুলো সংগ্রহ করবেন ।

জ.     অর্জিত জ্ঞান ও বলার সাহসিকতা নিয়ে আত্মবিশ্বাশি হতে হবে । তত ভয় পাওয়ার কিছু নেই । কারন, অনেক কিছুই আপনার  হাতে নেই ।

ঝ.      ভাইভা বোর্ড হলো বিনয়ের চরনভূমি অর্থাৎ সারা জীবনের সকল বিনয় এখানে এসে ঢেলে দিতে হবে । অহেতুক তর্ক করবেন না । কারন বোর্ডকে খ্যাপালে আপনি শেষ !

ঞ.    এখন থেকে নিয়মিত জাতীয় একটি দৈনিক পত্রিকা পড়তে হবে ।

ট.      যেদিন ভাইভা সেদিনের পত্রিকা অবশ্যই পড়ে যাবেন । সম্ভব হলে তিনটা পড়বেন এবং ঐ দিনের বাংলা, ইংরেজি ও আরবি তারিখ জেনে নিবেন ।

ঠ.      বাংলাদেশ ও বিশ্ব মানচিত্র সম্পর্কে ভালো ধারনা নিযে যাবেন । বিশেষ করে যার আয়তন যত ছোট, সে তত বেশি গুরুত্বপূর্ণ ।

চুক্তিপত্র লেখার পদ্ধতি

চুক্তিপত্র লেখার পদ্ধতি

চুক্তিপত্র/দলিল লেখার পদ্ধতি

চুক্তিপত্র কিভাবে লিখতে হয়? চুক্তিপত্র বা দলিল লেখার পদ্ধতি/নিয়মাবলী বা শর্তাবলী নিচে www.kaziitzone.com বিভিন্ন বিজ্ঞ দলিল লেখক ও উকিলের সহযোগীতায় লেখা। চুক্তিপত্র বা দলিল কিভাবে লিখতে হয়? একটি অঙ্গীকারনামা কিভাবে লেখা যায় তা বাংলাদেশের রাষ্টীয় আইনে বৈধ কি? না? ডিড করার নিয়ম কি? কি? বিস্তারিত চুক্তিপত্র কি? চুক্তিপত্র কিভাবে লিখে? আগে দলিল লেখার পদ্ধতি আপনি একটু সময় দিয়ে পড়ে নিন।

চুক্তিপত্র কি, চুক্তিপত্র লেখার নিয়ম

হাসান আর বেলাল খুব ভাল বন্ধু। দুইজনের সম্পর্ক দেখে অনেকে ঈর্ষা করে। একবার বেলালের ব্যবসায়িক প্রয়োজনে কয়েক লাখ টাকার প্রয়োজন পড়ে। বন্ধুর বিপদে হাসান এগিয়ে আসে। হাসান রফিককে তিন মাস পরে ফেরত দেওয়ার প্রয়োজনে ৩ লাখ টাকা ধার দেয়। তিন মাস গেল টাকা দেওয়ার কোন খবর নাই। হাসান ভাবল বেলাল হয়ত খুব ব্যস্ত। আও তিন মাস গেল বেলার কোন খবর নাই। এবার হাসান বেলালকে টাকার কথা জিজ্ঞেস করলে বেলাল বলে কিছু দিনের মধ্যেই দিয়ে দিবে। এভাবে কেটে যায় আরো কিছু মাস। তিনি টাকা পরিশোধ করেননি। হসান সাহেব বন্ধুকে বিশ্বাস করে ধার দিয়েছিলেন। কিন্তু বেলাল সাহেব বিশ্বাস ভঙ্গ করেছেন। এ নিয়ে দুজনের সঙ্গে মনোমালিন্য। মৌখিক কোন কিছু না হওয়াতে কিছুদিন অতিবাহিত হওয়ার পর হাসান সাহেব আদালতে বেলাল সাহেবের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগে মামলা করেন। বন্ধুকে টাকা ধার দেওয়ার সময় কোনো সাক্ষী উপস্থিত ছিলেন না। টাকা ধার নেওয়ার কোনো লিখিত দলিলও নেই। আর এ কারণে দীর্ঘদিন আদালতে ঘুরেও করিম সাহেব মামলায় জিততে পারেননি। রহিম সাহেবকে আদালত বেকসুর খালাস দেন। দলিল লেখার পদ্ধতি

আমাদের দেশে এ রকম অনেক লোকই এরকম নানাভাবে প্রতারিত হচ্ছেন। লেনদেনের লিখিত চুক্তি বা দলিল থাকলে এভাবে কাউকে প্রতারিত হতে হয় না। টাকা-পয়সা লেনদেন করলে বা বাকিতে মাল বিক্রি করলে তা লিখিত দলিলে হওয়া উচিত।

চুক্তিপত্র না করা লাগলেও কমবেশি সবাই জানি চুক্তিপত্র জিনিসটা আসলে কি। নানা কাজে আমাদেরকে অন্যের সাথে নানাবিধ শর্তাবলী মেনে আমাদেরকে আমাদের ব্যবসায়িক বা ব্যক্তিগত কার্যক্রম সম্পাদন করতে হয়। এ সব শর্তাবলীর লিখিত রুপই হল চুক্তিপত্র।

চুক্তি এবং চুক্তিপত্র কি?

চুক্তিপত্র লেখার পদ্ধতি ১৮৭২ সালের চুক্তি আইন অনুযায়ী চুক্তি বলতে একজন সুস্থ মস্তিস্ক প্রাপ্ত বয়স্ক আইনের দৃষ্টিতে সাবালক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাথে কোন বস্তু অর্থের বিনিময়ে অথবা বস্তুর বিনিময়ে আদান প্রদান করার জন্য লিখিত ভাবে অংগীকারাবদ্ধ হওয়ার প্রক্রিয়াকে চুক্তি বলে । তবে এক্ষেত্রে কিছু শর্ত প্রযোজ্য হবে শর্তগুলি নিম্নে দেওয়া হলো।

চুক্তি সম্পাদনকারী ব্যক্তিকে অবশ্যই আইনের দৃষ্টিতে সাবালক, সুস্থ মস্তিস্ক সম্পন্ন ব্যক্তি হতে হবে।

প্রত্যেক চুক্তিতে অবশ্যই একজন অপর একজনকে প্রস্তাব প্রদান করবে এবং অপর ব্যক্তি উক্ত প্রস্তাব গ্রহণে সম্মতি জ্ঞাপন করে কোন কিছু প্রতিদান করতে হবে।

প্রতিদান ব্যতিত কোনো চুক্তিই কার্যকর হবে না । চুক্তিপত্র লেখার পদ্ধতি

অপর দিকে, অংশীদারি প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির মধ্যের চুক্তির বিষয়বস্তু যে দলিলে লিপিবদ্ধ থাকে তাকে অংশীদারি চুক্তিপত্র বলা হয়। অংশীদারি চুক্তিপত্রকে অংশীদারি প্রতিষ্ঠানের গঠনতন্ত্র বা সংবিধান হিসেবে আখ্যায়িত করা যায়। অর্থাৎ যে দলিলে অংশীদারি ব্যবসায়ের গঠন, উদ্দেশ্য, পরিচালনা পদ্ধতি, অংশীদারদের অধিকার ও দায়দায়িত্ব প্রভৃতি লিপিবদ্ধ থাকে তাকে অংশীদারি ব্যবসায়ের চুক্তিপত্র বলে।

চুক্তিপত্র কেন দরকার ?

ব্যবসা, লেনদেন, অঙ্গীকার অথবা অন্যান্য নানা প্রয়োজনে চুক্তি সম্পাদন করা লাগতে পারে। বাড়ি বা ফ্ল্যাট ভাড়া কিংবা বাড়ি বা ফ্ল্যাট কেনা-বেচার সময় চুক্তি করা প্রয়োজন পড়তে পারে । দোকান ক্রয়-বিক্রয় বা ভাড়ার সময় চুক্তিপত্রের দরকার পড়তে পারে।

মানুষ মাত্রই লেনদেনের সঙ্গে জড়িত। পণ্যদ্রব্য আমদানি-রপ্তানি, জমি-জমা ও ফ্ল্যাট ক্রয়-বিক্রয়, নগদ অর্থ ব্যাংকে জমা রাখা, ব্যাংকে মেয়াদি হিসাব খোলা, ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া, দোকান পজিশন ভাড়া দেওয়া-নেওয়া, জমি বন্ধক রাখা, নগদ অর্থ হাওলাত দেওয়া, হজ পালন কিংবা বিদেশ গমনের জন্য টাকা দেওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি। চুক্তিপত্র লেখার পদ্ধতি

লেনদেনের ঋণ, পূঁজির জন্য চুক্তিপত্র সম্পাদন প্রয়োজন। এ ছাড়া ব্যক্তিগত যেকোনো ধরনের কাজে চুক্তিনামা দরকার হয়। তবে চুক্তিপত্র ইচ্ছামত করলে হবে না । বরং সব ধরনের চুক্তির জন্যের কিছু বিধিবিধান রয়েছে।

আশ্বর্য্যের ব্যাপার হল, ইসলাম ধর্মে চুক্তিপত্র সম্পর্কিত একটি আকাট্য দলিল নাজিল হয়েছে। লেনদেন পরবর্তী অনাকাংখিত পরিস্থিতি এড়াতে লেনদেন করার পূর্বে উপযুক্ত স্বাক্ষীর উপস্থিতে চুক্তিপত্র সম্পাদনের জন্য কোরআনে তাগিদ দেয়া হয়েছে।

হে মুমিনগণ! যখন তোমরা কোন নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে ঋনের আদান-প্রদান কর, তখন তা লিপিবদ্ধ করে নাও এবং তোমাদের মধ্যে কোন লেখক ন্যায়সঙ্গতভাবে তা লিখে দেবে; লেখক লিখতে অস্বীকার করবে না। আল্লাহ তাকে যেমন শিক্ষা দিয়েছেন, তার উচিত তা লিখে দেয়া। এবং ঋন গ্রহীতা যেন লেখার বিষয় বলে দেয় এবং সে যেন স্বীয় পালনকর্তা আল্লাহকে ভয় করে এবং লেখার মধ্যে বিন্দুমাত্রও বেশ কম না করে। অতঃপর ঋণগ্রহীতা যদি নির্বোধ হয় কিংবা দূর্বল হয় অথবা নিজে লেখার বিষয়বস্তু বলে দিতে অক্ষম হয়, তবে তার অভিভাবক ন্যায়সঙ্গতভাবে লিখাবে। দুজন সাক্ষী কর, তোমাদের পুরুষদের মধ্যে থেকে। যদি দুজন পুরুষ না হয়, তবে একজন পুরুষ ও দুজন মহিলা। ঐ সাক্ষীদের মধ্য থেকে যাদেরকে তোমরা পছন্দ কর যাতে একজন যদি ভুলে যায়, তবে একজন অন্যজনকে স্মরণ করিয়ে দেয়। যখন ডাকা হয়, তখন সাক্ষীদের অস্বীকার করা উচিত নয়। তোমরা এটা লিখতে অলসতা করোনা, তা ছোট হোক কিংবা বড়, নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। এ লিপিবদ্ধ করণ আল্লাহর কাছে সুবিচারকে অধিক কায়েম রাখে, সাক্ষ্যকে অধিক সুসংহত রাখে এবং তোমাদের সন্দেহে পতিত না হওয়ার পক্ষে অধিক উপযুক্ত। কিন্তু যদি কারবার নগদ হয়, পরস্পর হাতে হাতে আদান-প্রদান কর, তবে তা না লিখলে তোমাদের প্রতি কোন অভিযোগ নেই। তোমরা ক্রয়-বিক্র য়ের সময় সাক্ষী রাখ। কোন লেখক ও সাক্ষীকে ক্ষতিগ্রস্ত করো না। যদি তোমরা এরূপ কর, তবে তা তোমাদের পক্ষে পাপের বিষয়। আল্লাহকে ভয় কর তিনি তোমাদেরকে শিক্ষা দেন। আল্লাহ সব কিছু জানেন। [ সুরা বাকারা ২:২৮২ ] দলিল লেখার পদ্ধতি

মনে রাখা উচিত, কেউ যদি কোনো ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে চুক্তিপত্রে আবদ্ধ হয় । তাহলে চুক্তির শর্তগুলো অবশ্যই মেনে চলতে হবে। চুক্তিপত্রের শর্ত মেনে চলার জন্যে স্বয়ং আল্লাহতায়ালা হুকুম দিয়েছেন। কারণ চুক্তিপত্রের শর্ত মানার মাধ্যমে পারস্পরিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক সর্ম্পক মজবুত হয় একই সাথে ব্যবসায়-বাণিজ্যের প্রসার ঘটে এবং এ সংক্রান্ত অনাকাংখিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। এ বিষয়ে কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে, যাদের সঙ্গে তোমরা চুক্তি করেছ, তারা (চুক্তি রক্ষার ব্যাপারে) এতটুকুও ত্রুটি করেনি- না তারা কখনও তোমাদের বিরুদ্ধে অন্য কাউকে সাহায্য করেছে, তাদের চুক্তি তাদের মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত অবশ্যই তোমরা মেনে চলবে।’ -সূরা তওবা: ৪ (দলিল লেখার পদ্ধতি হাদিসটি অনলাই হতে সংকলিত)

চুক্তিপত্র লেখার পদ্ধতি

ত্রুটিপূর্ণ যে কোন কিছুই ক্ষতিকর। তাই চুক্তিপত্র সম্পাদনের সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যেন চুক্তিপত্রে কোন ত্রুটি বা অপূর্ণতা না থাকে। একদম ছোট ছোট বিষয়গুলোও চুক্তিপত্রে উল্লেখ করতে হবে।

আপনার ব্যবসা বা ব্যক্তিগত কোন কাজ ছোট কিংবা বড় হোক যার বা যাদের সাথে চুক্তি করবেন চুক্তিতে কার কী রকম দায়দায়িত্ব, তা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। কোনোভাবেই ফাঁকফোকর রাখা যাবে না। ফাঁকফোকর থাকলে ভবিষ্যতে বড় রকমের জটিলতায় পড়তে পারেন।

প্রথমত, চুক্তিতে যেসকল পক্ষ অংশগ্রহণ করবে সে সব পক্ষের নাম ঠিকানা স্পষ্ট করতে উল্লেখ করতে হবে। আর যদি কোন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান হয় সে ক্ষেত্রে ঐ প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে।

যাদের সাথে চুক্তি করছেন, ঐ চুক্তি অনুসারে কার কতটুকু অংশ বা ভূমিকা থাকবে, কোন বিষয় নিয়ে কিংবা কাজ নিয়ে চুক্তি হচ্ছে ঐ সকল বিষয় উল্লেখপূর্বক চুক্তির শুরুর তারিখ থাকতে হবে। আর যদি চুক্তি নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে কবে চুক্তি শুরু হচ্ছে আর কবে চুক্তি শেষ হচ্ছে তার তারিখ উল্লেখ করে দিতে হবে।

অংশিদার ভিত্তিতে পূঁজি খাটালে চুক্তিতে পুঁজি কত , কে কত অংশ দিয়েছে, কিভাবে লভ্যাংশ আদায় হবে, ব্যবসার ব্যবস্থাপনা কেমন হবে প্রভৃতি বিষয় অবশ্যই থাকতে হবে। কোন কারনে সমস্যা দেখা দিলে সে সমস্যা কিভাবে নিষ্পত্তি করা হবে সেটিও চুক্তিতে উল্লেখ করে দিতে হবে। বিশেষ করে বিরোধ হলে আলোচনা কিংবা সালিসের মাধ্যমে তা নিষ্পত্তি করার সুযোগ থাকবে কি না, তার উল্লেখ অবশ্যই থাকা দরকার।

বর্তমানে সব ক্ষেত্রেই মীমাংসার মাধ্যমে যেকোনো বিরোধ নিষ্পত্তিকে উৎসাহিত করা হয়। তাই চুক্তিপত্রের একটি অনুচ্ছেদে এ-সংক্রান্ত শর্ত রাখা জরুরি। চুক্তিনামায় সালিস আইন ২০০১-এর মাধ্যমে নিষ্পত্তির বিধানটি রাখা যেতে পারে।

যারা যারা চুক্তিতে আবদ্ধ হচ্ছেন চুক্তির শেষে সেই সব পক্ষের স্বাক্ষর ও স্বাক্ষীদের স্বাক্ষর নিতে হবে। চুক্তি করার সময় নাবালক, পাগল, দেউলিয়া ব্যক্তি, সরকারি কর্মচারী, রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রী, বিদেশি রাষ্ট্রদূত, বিদেশি শত্রু ও দেশদ্রোহী ব্যক্তির সঙ্গে কোনো চুক্তি করা যাবে না।

অনলাইন ঘেটে একটা চুক্তিপত্র কি রকম হতে পারে সেটি হুবহু তুলে ধরছি। তবে আপনি আপনার প্রয়োজন অনুসারে চুক্তিপত্র সম্পাদন করবেন। প্রয়োজনে কোন উকিলের পরামর্শ নিতে পারেন।

অংশীদারী চুক্তিপত্র দলিল / অঙ্গীকারনামা লেখার নিয়ম

অত্র  চুক্তি নামা দলিল অদ্য ১৫/১২/২০২০ ইং তারিখে নিম্ন লিখিত পক্ষদ্বয়ের মধ্যে সম্পাদিত হইল।

১ম পক্ষ মোঃ শরিফুল ইসলাম, জন্মতারিখ-০১/০৫/১৯৬৮ ইং,

পিতা- মোঃ নমের উদ্দিন, মাতা- মোঃ ছাফিয়া বেগম

ঠিকানাঃ- সাকিন- চলবলা, ডাকঘর- সোনারহাট-৫৫২০, উপজেলা- কালীগঞ্জ, জেলা- লালমনিরহাট, জাতীয়তা- বাংলাদেশী, ধর্ম-ইসলাম, পেশা-ব্যবসা।

২য় পক্ষ কমল চন্দ্র রায়, জন্ম তারিখ- ২৩-০২-১৯৮৫, জাতীয় পরিচয়পত্র নং- ২৩৫৮৪৭৪৮৩৭,

পিতা- ভোলা নাথ বর্মা, মাতা- দমন্তি রানী

ঠিকানাঃ- সাকিন- চলবলা, ডাকঘর- সোনারহাট-৫৫২০, উপজেলা- কালীগঞ্জ, জেলা- লালমনিরহাট,  জাতীয়তা- বাংলাদেশী, ধর্ম- সনাতন, পেশা- ব্যবসা।

পরম করুণাময় মহান আল্লাহ তায়ালার নাম স্মরণ করিয়া অত্র অংশীদারী চুক্তিপত্র দলিলের আইনানুগ বয়ান আরম্ভ করিতেছি। যেহেতু আমরা পরস্পর পরস্পরকে দীর্ঘ দিন যাবত চিনি ও জানি। এমতাবস্থায় আমরা একত্রে ব্যবসা পরিচালনা করার ইচ্ছা প্রকাশ করায় আমরা উপরোক্ত পক্ষদ্বয় একমত হইয়া আলাপ আলোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ জটিলতা নিরসনকল্পে অদ্য হাজিরান মজলিশে স্বাক্ষীগণের মোকাবেলায় এই মর্মে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে নিম্ন লিখিত শর্তাবলীর উপর আস্থা রাখিয়া ভবিষ্যৎ জটিলতা নিরসনকল্পে আমরা ১ম ও ২য় পক্ষদ্বয় অত্র ব্যবসায়িক চুক্তিপত্র দলিলে আবদ্ধ হইলাম।

শর্তাবলীঃ-

১। নিটিং অয়েল, কাটিং অয়েল, গ্রীজ ব্যবহৃত মোবিল প্রক্রিয়াজাত করণ মেসার্স ডেল্টা লুব্রিকেটিং এন্ড কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ, প্লট নং-বি-৫১, ঢাকা শিল্প ইন্ডাষ্ট্রিজ নগরী, বিসিক, কেরাণীগঞ্জে বিদ্যমান শিল্পটি যৌথভাবে পরিচালিত হইবে।

২। অত্র দলিল সহি সম্পাদনার তারিখ হইতে অত্র অংশীদারী ব্যবসার মেয়াদ শুরু হইবে এবং আইনানুগ রুপে অবসান না হওয়া পর্যন্ত অত্র ব্যবসা চলিবে।

৩। ব্যবসার মূল অফিস ঢাকা শহরের অবস্থিত থাকিবে, যাহার ঠিকানাঃ-১০২ দয়াগঞ্জ, সূত্রাপুর, জেলা-ঢাকা এবং অন্যান্য স্থানে উভয় পক্ষের লিখিত অনুমোদন লইয়া শাখা অফিস খোলা যাইবে।

৪। (ক) ব্যবসার অংশীদারগণের পুঁজি ১০,০০,০০০/- (দশ লক্ষ) টাকা তন্মধ্যে ১ম পক্ষ ৬০% এবং ২য় পক্ষ ৪০% ভাগে বিয়োগ করিবে এবং অংশীদারদের মালিকানার অংশ ১ম পক্ষ ৬০% এবং ২য় পক্ষ ৪০% ভাগে থাকিবে।

(খ) ব্যবসার এককালীন পুঁজি ছাড়াও যে কোন সময় ব্যবসার উন্নতির জন্য পুঁজির পরিমাণ হ্রাস বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।

৫। আর অংশীদারী ব্যবসার লাভ ক্ষতির অংশ ১ম পক্ষ ৬০% এবং ২য় পক্ষ ৪০% ভাগে বন্টন করা হইবে।

৬। প্রত্যেক (১) মাসে অন্তর অন্তর অত্র ব্যবসার লাভ ক্ষতির হিসাব প্রস্তুুত করা হইবে অংশ ১ম পক্ষ ৬০% এবং ২য় পক্ষ ৪০% ভাগে হিস্যা পক্ষগণের উপর ন্যস্ত হইবে তবে প্রতি মাসে লাভের শতকরা অংশ ১ম পক্ষ ৬০% এবং ২য় পক্ষ ৪০% ভাগে অত্র ব্যবসা রির্জাভ ফান্ডে জমা থাকিবে।

৭। আনুপাতিক ভিত্তিতে উভয় পক্ষ ব্যবসা সংক্রান্ত দায়দায়িত্ব পালন করিবে, তবে উভয় পক্ষের সর্বসম্মতিক্রমে জনাব মোঃ সামসুল আলম ব্যবস্থাপনা অংশীদার হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবেন। তিনি সভায় সভাপতিত্ত্ব করবেন এবং তাঁর স্বাক্ষরে ব্যাংক বিসিকসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে চিঠিপত্র এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজে ব্যবস্থাপনা অংশীদার জনাব মোঃ সামসুল আলমকে বিসিক ঢাকা (কেরাণীগঞ্জ) শিল্প নগরীতে প্লট ক্রয় বিক্রয়ের সর্বময় ক্ষমতা দেয়া হলো এবং তাকে দলিল সম্পাদনের ক্ষমতা দেয়া হইল।

৮। এই চুক্তিনামায় যে কোন পরিবর্তন, পরিবর্ধন করিবার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে উভয় পক্ষের সর্বসম্মতিক্রমে উহা সম্পন্ন হইবে।

৯। কেবলমাত্র উভয় পক্ষের সম্মতিতে এই চুক্তিনামা বাতিল বা ব্যবসা বন্ধ ঘোষনা করা যাইবে।

১০। ব্যবসা চলাকালিন সময়ে আল্লাহ না করুন যদি কোন পক্ষের কেউ মৃত্যুবরন করেন তাহা হইলে মৃত্যুব্যক্তির উত্তরাধিকারীগণ মৃত্যুবরনকারী অংশীদারের অংশ ভোগ করিবেন এবং ঐ অংশের অংশীদার হিসাবে গন্য হইবেন ও সকল প্রকার দায়দায়িত্ব পালন করিবেন।

১১। উভয়পক্ষের কেহ যদি ব্যবসা চলাকালীন সময়ে কোন কারণে স্ব-ইচ্ছায় অবসর নিতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন তবে তাহাকে অন্ততপক্ষে তিন মাস পূর্বে অপর পক্ষকে নোটিশ প্রদান করিতে হইবে।কোন পক্ষ যদি তাহার নিজ অংশ হস্তান্তর করিতে চাহেন তবে অবশ্যই নিজেদের মধ্যে আলোচনা করিয়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতে হইবে, এক পক্ষ ক্রয় করিতে না চাহিলে সমঝোতার ভিত্তিতে বাহিরের কারো কাছে বিক্রয় করিতে পারিবেন।

১২। যদি কোন কারণে ব্যবসায়িক বিষয় লইয়া উভয় পক্ষের মধ্যে কোন মতবিরোধের সৃষ্টি হয় তাহা হইলে বিরোধীয় পরস্পর আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে মিটমাট করিবেন অথবা উভয় পক্ষের নির্ধারিত/নির্বাহিত একজন এবং উভয় পক্ষের সমন্বয়ে শালিস পরিষদ গঠন করিয়া উক্ত শালিস পরিষদের মাধ্যমে বিষয়টি মিটমাট করিবেন।

১৩। অত্র চুক্তির কার্যকারীতা শুধুমাত্র উল্লেখিত ব্যবসায় ক্ষেত্রে কার্যকরী হইবে।

এতদ্বার্থে স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে ,সুস্থ শরীরে অন্যের বিনা প্ররোচনায় আমার উল্লেখিত পক্ষগন নিম্মে উল্লেখিত স্বাক্ষীগণের সম্মুখে নিজ নিজ স্বাক্ষর করিয়া অত্র অংশীদারী দলিল সম্পাদন করিলাম । অত্র দলিল কম্পোজকৃত এবং স্বাক্ষী ( ৩ ) জন বটে। না বুঝলে ভালো করে দলিল লেখার পদ্ধতি পড়ে নিন।

স্বাক্ষীগণের স্বাক্ষর ও ঠিকানাঃ-

১।

২।

৩।

১ম পক্ষের স্বাক্ষর২।

—————–

২য় পক্ষের স্বাক্ষরমুসাবিদাকারক( হাসিব)

এস, অফিস গুলশান, ঢাকা।

সনদ নং-১২**

যেভাবে সম্পাদিত হবে বা কত টাকার স্ট্যাম্প ব্যবহার করতে হয় ( চুক্তিপত্র লেখার পদ্ধতি/অঙ্গীকারনামা লেখার নিয়ম )

সাধারণত আমাদের দেশে কেউ কারো সাথে কোন চুক্তিপত্র/দলিল করতে গিয়ে ইচ্ছে মাফিক ৫০, ১০০, বা ১৫০ টাকার স্ট্যাম্পে চুক্তিপত্র/দলিল তৈরি করে থাকে। আসলে কিন্ত এটি সঠিক নয়। সাধারণত চুক্তিপত্র করতে হয় ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে। তবে ক্ষেত্রবিশেষে এর ব্যতিক্রম হতে পারে। যেমন

অংশীদারি ব্যবসায়িক চুক্তিপত্র করতে হয় ২ হাজার টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে। ব্যবসার মূলধন ৫০ হাজার টাকার নিচে হলে ১ হাজার টাকার স্ট্যাম্পে চুক্তি করলেই চলবে।

রাজউকের প্লট এবং ট্যাক্সের দলিলের জন্য মূল্যের ওপর ২ শতাংশ টাকার সমমানের স্ট্যাম্প।

ট্রাস্ট ডিড-ক্যাপিটাল দলিলের জন্য মূল্যের ওপর ২ শতাংশ টাকার সমমানের স্ট্যাম্প

অছিয়তনামার কপির জন্য ৩০ টাকার স্ট্যাম্প ।

নকলের কবলা দলিল, বন্ড, বণ্টননামা, সার্টিফাইড কপির দলিলের জন্য ৫০ টাকার স্ট্যাম্প ।

অনুলিপি, খাস-মোক্তারনামা দলিলের জন্য ১০০ টাকার স্ট্যাম্প ।

হলফনামা, বায়নার হলফনামা, হেবার ঘোষণাপত্র, নাদাবি পত্র, বাতিলকরণ দলিলের জন্য ২০০ টাকার স্ট্যাম্প ।

চুক্তিনামা দলিল, অঙ্গীকারনামা, বায়নানামার দলিল, মেমোরেন্ডাম অব অ্যাগ্রিমেন্ট

রিডেম্পশন, সোলেনামা বা আপসনামার দলিলের জন্য ৩০০ টাকার স্ট্যাম্প ।

আমমোক্তারনামা দলিল এবং সাফকবলা দলিলের জন্য ৪০০ টাকার স্ট্যাম্প

তালাকের হলফনামার দলিলের জন্য ৫০০ টাকার স্ট্যাম্প ।

মর্টগেজ বা বন্ধকের দলিল সম্পাদনের ক্ষেত্রে-

ক. এক টাকা থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ২০০০ টাকা

খ. ২০ লাখ এক টাকা থেকে এক কোটি টাকা পর্যন্ত পাঁচ হাজার টাকার স্ট্যাম্প।

গ. এক কোটি এক টাকার ওপরের ক্ষেত্রে পাঁচ হাজার টাকার এবং প্রতি লাখের জন্য ২ শতাংশ হারে মোট টাকার মূল্যমানের স্ট্যাম্পে সম্পাদন করতে হবে।

সাধারণ চুক্তিপত্র নোটারি পাবলিক বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে নোটারাইজড করতে হবে। অংশীদারি চুক্তিরÿক্ষেত্রে নিবন্ধন করাতে হবে রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ থেকে। কোনো জমি বা ফ্ল্যাট কিনতে বায়নানামা সম্পাদন করার প্রয়োজন হতে পারে। বায়নানামাও একধরনের চুক্তি। তবে বায়নানামা সম্পাদন করলে তা অবশ্যই সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে এবং রেজিস্ট্রশন বাধ্যতামূলক। মনোযোগ সহকারে দলিল লেখার পদ্ধতি পড়ে নিন।

চুক্তি ভঙ্গের ক্ষেত্রে আইনগত আশ্রয়/ চুক্তিপত্র লেখার পদ্ধতি/অঙ্গীকারনামা লেখার নিয়ম

যদি আপনি চুক্তিনামা উপরে উল্লেখিত নিয়মে করে থাকেন সে ক্ষেত্রে কেউ যদি চুক্তি ভংগ করে আপনি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন। বাংলাদেশে প্রচলিত দণ্ডবিধির ৪২০ ধারা ও ৪০৬ ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যায় সহজেই। আদালতে অভিযোগ প্রমাণ করাও সহজ হয়। টাকা ধার নিয়ে বা বাকিতে মাল নিয়ে টাকা পরিশোধ না করা প্রতারণা। [অঙ্গীকারনামা লেখার নিয়ম]

আর এই প্রতারণার শাস্তির বিধান রয়েছে দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায়। এ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণা করে এবং প্রতারণার কারণে প্রতারিত ব্যক্তিকে কোনো সম্পত্তি দিতে বাধ্য করে তাহলে প্রতারণাকারীকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয় প্রকার দণ্ড দেওয়া যেতে পারে। দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি বিশ্বাস ভঙ্গ করে তাহলে তাকে তিন বছর কারাদণ্ড দেওয়া যাবে। অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে বা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে। লেনদেনের দলিল বা ডকুমেন্টস থাকলে কেউ প্রতারণা করার সাহস পাবে না। দলিল লেখার পদ্ধতি ভালো করে পড়ুন।

শেষ কথা প্রত্যেকের মনে রাখা দরকার, অর্থই অনর্থের মূল। এই অর্থের কারণেই বন্ধু, আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হয়। অনেক সময় সামান্য টাকার জন্য খুনোখুনির ঘটনাও আমাদের দেশে চোখে পড়ে। কাজেই এখন থেকে প্রতিটি আর্থিক লেনদেনই লিখিত চুক্তির মাধ্যমে হওয়া উচিত। লেনদেনের দলিল বা ডকুমেন্টস থাকলে কেউ প্রতারণা করার সাহস পাবে না। লিখিত চুক্তিপত্র থাকলে আইনের আশ্রয় নেওয়া যায়। যা মৌখিক কিংবা অলিখিত লেনদেনের ক্ষেত্রে সম্ভব হয় না।

সূত্রঃ অনলাইন

সতর্কতাঃ  (অঙ্গীকারনামা লেখার নিয়ম )তথ্যগুলো অনলাইনের নানা ওয়েব পোর্টাল থেকে সন্নিবেশ করা হয়েছে। প্রয়োজনে নিবন্ধিত উকিলের পরামর্শ গ্রহণ করে চুক্তি সম্পাদন করুন। কোন সমস্যায় কোন ভাবেই লেখককে দায়ী করা যাবে না। লেখাটি শুধুমাত্র চুক্তি নিয়ে ধারনা দেবার জন্যে সম্পাদিত হয়েছে। চুক্তিপত্র লেখার পদ্ধতিতে আমরা কোন প্রকার দায়ী থাকিব না।

6th Week Assignment All Class

6th Week Assignment All Class

6th Week Assignment All Class 6, 7, 8, 9

6th Week Assignment All Class, All Subject Bangla, English, Maths, Science Class 6, assignment class 7, assignment class 8, assignment class 9 all class assignment answer. 6th Week Assignment All Class 6, 7, 8, 9. Assignment for class 6 six, class 7 seven assignment, class 8 eight all subject assignment  Download PDF from www.kaziitzone.com website. Every Week Assignment For All Subject will update here. We are fellow www.dshe.gov.bd

6th Week assignment Class 6 All Subject

Dear student friends, Now I am bringing out the assignment solution for the sixth week. The sixth Week assignment syllabus has already been published, We are publishing the All Subject assignment in class six to nine and answering questions on our website. We have seen that all of the students want to get class 6 math assignment answers. So to dement of this subject, we have arranged this we focus on this subject keeping its importance in our head. We hope to see this work for you will be very glad. So, Share with your friends that they get class 6 all Subject assignment solutions and answering questions. Today we will discuss class six assignments in all subjects because all of the students will submit their own on the institute.TO Get class 6 assignment solution students will search the internet for class 6 assignment answers for this reason we have to arrange this post. My Dear if you are a student of class 6 if you need to be all subject assignment answers then it is the right place. So read our page carefully.

6th week class 6 Bangla assignment

ব্যাকরণ অংশঃ বাংলা ভাষা ও বিরাম চিহ্ন । 

নির্ধারিত কাজ/এ্যাসাইনমেন্টঃ (খ) নিচের অনুচ্ছেদটিতে যথাস্থানে বিরাম চিহ্ন বসিয়ে তা চলতি রীতিতে লিখঃ

সকাল বেলায় আমার নভেলের  সপ্তদশ পরিচ্ছেতে হাত দিয়াছি এম সময় মিনি আসিয়াই আরম্ভ করিয়া দিল বাবা রামদয়াল দারোয়ান কাকাকে কৌয়া বলেছিল সে কিছু জানে না নাক সে আমার লিখিবার টেবিলের পাশ্বে আমার পায়ের কাছে বসিয়া নিজের দুই হাটু এবং হাত লইয়া অতিদ্রুত উচ্চারণে আগডুম বাগডুম খেলিতে আরম্ভ করিয়া দিল আমার ঘর পথের ধারে হঠাৎ মিনি আগডুম বাগডুম খেলা রাখিয়া জানালার ধারে ছুটিয়া গেল এবং চিৎকার করিয়া ডাকিতে লাগিল কাবলিওয়ালা ও কাবলিওয়ালা ।।

6th week class 6 Math assignment

অধ্যায়ঃ ৪র্থ ,৭ম,৮ম ।

নির্ধারিত কাজ/এ্যাসাইনমেন্টঃ

প্রশ্নঃ ০১ 

5x2-2xy+3y2, x2-3xy,-y2+5xy তিনটি বীজগণিতীয় রাশি হলে-

(ক) প্রথম রাশিটির পদ সংখ্যা কয়টি ও কী কী ?

(খ) রাশি তিনটির যোগফল নির্নয় কর ?

(গ) x=3,y=2  হলে, ১ম রাশি থেকে ৩য় রাশির বিয়োগফলের মান নির্ণয় কর ?

প্রশ্নঃ ০২ 

    ABC=৬০

(ক)    ABC কে চাঁদার সাহায্যে অংকন কর ?

(খ)   ABC কে সমদ্বিখন্ডিত কর ( রুলার ও কম্পাসের সাহায্যে )?

(গ) অংকনের চিহ্ন ও বিবরণ দাও ?

প্রশ্নঃ ০৩ 

একজন শিক্ষার্থী ৪০ থেকে ৬০ পর্য্ন্ত সংখ্যাগুলোর মধ্যে নিম্নের সংখ্যাগুলো লিখল ।

৫০,৪৫,৪৮,৪৯,৬০,৫৮,৫৭,৪৫,৪৭,৪৫,৪৩,৪২,৪৭,

(ক) উপাত্তগুলোকে বিন্যন্ত কর ?

(খ) উপাত্তগুলোর গড় নির্ণয় কর ?

(গ) উপাত্তগুলোর মধ্যক ও প্রচুরক নির্ণয় কর ?

6th week class Agricultural education assignment

অধ্যায়ঃ ৩য়, ৫ম । 

নির্ধারিত কাজ/এ্যাসাইনমেন্টঃ সৃজনশীল প্রশ্ন 

১. ৬ষ্ঠ শ্রেনীর কৃষি শিক্ষা ক্লাসে মাটি বিষয়ে শিক্ষক বললেন, সব ধরনের ফসল একই ধরনের মাটিতে চাষ করা সম্ভব নয় । আলু,গম,পাট,তরমুজ,বাদাম,বাধাকপি ইত্যাদি ফসলগুলো চাষের জন্য ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্টের মাটির প্রয়োজন হয় । শিক্ষক আর ও বললেন এমন এক ধরনের মাটি আছে যার অর্ধেক বালিকণা আর বাকি অর্ধেক পলিকণা ও কাঁদাযুক্ত হয় । 

(ক) উদ্দীপকের প্রদত্ত ফসলগুলো চাষের উপযোগী মাটির প্রকারভেদ অনুযায়ী তালিকা তৈরী কর ?

(খ) শিক্ষকের শেষ মন্তব্যটি কোন মাটিকে নির্দেশ করে” ব্যাখ্যাপূর্বক ধান চাষের জন্য এই মাটি উপযোগী কি-না যুক্তি দাও । 

২। তোমার এলাকায় জন্মে এমন ফুল ,ফল শাকসবজি ও মসলা জাতীয় ফসলের (পাঁচটি করে ) তালিকা তৈরী কর এবং এগুলোর অর্থনৈতিক গুরুত্ব বর্ণনা কর । 

6th week class 6 Domestic science assignment

অধ্যায়ঃ ৪র্থ ,৫ম,একাদশ ও চতুর্দশ।

নির্ধারিত কাজ/এ্যাসাইনমেন্টঃ 

রচনামূলক প্রশ্ন

১। শিশুর বিভিন্ন বৈশিষ্টের উপর ভিত্তি করে শিশুকালকে বিভাজন করার প্রয়োজন আছে কী ?  উত্তরের স্বপক্ষে যুক্তি দাও । 

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

২ । (ক) বাবা-মা ও শিক্ষককে কিভাবে সম্মান করা উচিৎ ?

      (খ) তোমার শ্রেনীতে একজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধি বন্ধু আছে । তার প্রতি তোমার আচরন কেমন হবে ?

৩ । বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস জানার পর তুমি কি ধরণের খাবার মজুদ করবে ? কেন ? এসব খাবারকে কী বলা হয় ?

৪ । শীতের শেষে শীতকালীন পোশাকের যত্ন কিভাবে নিবে বুঝিয়ে লিখ ? 

Class 6 assignment 6th Week Answer

৬ষ্ঠ শ্রেনীর এ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ( ৬ষ্ঠ সপ্তাহ )

Bangla Assignment Answer Class 6

সকাল বেলায় আমার নভেলের  সপ্তদশ পরিচ্ছেদে হাত দিয়েছি ।এমন সময় মিনি এসে শুরু করে দিল,“বাবা, রামদয়াল দারোয়ান কাকাকে কৌয়া বলেছিল, সে কিছু জানে না । না ” সে আমার লেখার টেবিলের পাশে আমার পায়ের কাছে বসে নিজের দুই হাটু এবং হাত নিয়ে অতিদ্রুত উচ্চারণে ‘ আগডুম-বাগডুম ’ খেলতে শুরু করে দিল । আমার ঘর পথের ধারে । হঠাৎ মিনি ‘ আগডুম-বাগডুম ’ খেলা রেখে জানালার কাছে ছুটে  গেল এবং চিৎকার করে ডাকতে লাগল,“ কাবলিওয়ালা, ও কাবলিওয়ালা ।” 

6th week class 6 Math assignment Answer

১ নং প্রশ্নের উত্তরঃ

(ক) প্রথম রাশিটির পদ সংখ্যা হলোঃ ৩ টি । যথা; 5x2, 2xy, 3y

(খ) রাশি তিনটির যোগফলঃ

১ম রাশি= 5x2-2xy+3y2

২য় রাশি= x2-3xy

৩য় রাশি= -y2+5xy

প্রদত্ত রাশি 

5x2-2xy+3y2+ x2-3xy+(-y2+5xy)

= 5x2-2xy+3y2+ x2-3xy-y2+5xy

=6x2-5xy+5xy+3y2

=6x2+2y2 (Ans.)

(গ) ১ম রাশি ৩য় রাশির বিয়োগফলঃ

5x2-2xy+3y2-(-y2+5xy)

= 5x2-2xy+3y2+y2+5xy

= 5x2+3xy+4y2

= 5.32+3.3.2+4.22 (মান বসিয়ে পাই)

= 5.9+18+4.4

= 45+18+16

= 79 (Ans.)

২ নং প্রশ্নের উত্তরঃ

৩ নং প্রশ্নের উত্তরঃ

(ক) উপাত্তগুলোর বিন্যস্তঃ ৪২,৪৩,৪৫,৪৫,৪৫,৪৭,৪৭,৪৮,৪৯,৫০,৫৭,৫৮,৬০ ।

(খ) উপাত্তগুলোর গড় নির্ণয়ঃ

আমরা জানি,

গড়=রাশিগুলোর যোগফল ÷রাশিগুলোর সংখ্যা

সুতরাং, রাশিগুলোর যোগফল=

৪২+৪৩+৪৫+৪৫+৪৫+৪৭+৪৭+৪৮+৪৯+৫০+৫৭+৫৮+৬০=৬৩৬

রাশিগুলোর সংখ্যা=১৩

গড়= ৬৩৬÷১৩

=৪৮.৯২(প্রায়)

(গ) উপাত্তগুলোর মধ্যক ও প্রচুরকঃ

উত্তরঃ ৪২,৪৩,৪৫,৪৫,৪৫,৪৭,৪৭,৪৮,৪৯,৫০,৫৭,৫৮,৬০

মধ্যকঃ এখানে লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে,এখানে ১৩ টি সংখ্যা আছে 

আমরা জানি, মধ্যক= ১৩+ তম পদ বা ৭ম তম পদ 

সুতরাং ,সংখ্যাগুলোর মধ্যে ৭ম তম পদ হলো ৪৭ । 

প্রচুরকঃ এখানে,৪৭ আছে ২ বার ,৪৫ আছে ৩ বার , ৪৫ আছে সর্বাধিকবার । ৪৫ কে প্রদত্ত উপাত্তগুলোর প্রচুরক বলে । সুতরাং, প্রচুরক হলো প্রদত্ত উপাত্তের মধ্যে সর্বাধিকবার থাকে ।

 

৬ষ্ঠ শ্রেনীর কৃষি শিক্ষা এ্যাসাইনমেন্ট সমাধান(৬ষ্ঠ সপ্তাহ)

১নং প্রশ্নের উত্তর (ক) 

উদ্দীপকে প্রদত্ত ফসলগুলো চাষের উপযোগী মাটির প্রকারভেদ নিচে তালিকা তৈরী করা হলোঃ

গম চাষঃ গম চাষের জন্য উচু ও মাঝারি জমি বেশি উপযোগী । তবে মাঝারি নিচু জমিতে ও গম চাষ করা যায় । দো-আঁশ ও বেলে দো-আঁশ মাটি গম চাষের জন্য সর্বোত্তম ।

আলু চাষঃ আলু চাষের জন্য হালকা প্রকৃতি মাটি উপযোগী । বেলে দো-আঁশ মাটি আলু চাষের জন্য বেশি উপযোগী । 

পাট চাষঃ পাট চাষের জন্য মধ্যম ও উচু মধ্যম মাটি বেশি উপযোগী । দো-আঁশ মাটি পাট চাষের জন্য বেশি উপযোগী । 

বাদাম চাষঃ বাদাম চাষের জন্য বেলে দো-আঁশ ,দো-আঁশ ,ও বেলে মাটি বেশি উপযোগী । 

 

১ নং প্রশ্নের উত্তর (খ)

শিক্ষকের শেষ মন্তব্যটি পলি দো-আঁশ মাটিকে নির্দেশ করে । কারন আদর্শ পলি দো-আঁশ মাটিতে অর্ধেক বালিকনা ,বাকি অর্ধেক পলিকনা ,এবং কাদাযুক্ত থাকে । ধান চাষের জন্য এ মাটি উপযোগী নয় । কারণ কংকরযুক্ত পলি দো-আঁশ । এবং বেলে মাটি ছাড়া সব মাটিতে ধান চাষের উপযোগী । প্রকারভেদেও উচু,নিচু সব ধরনের জমিতেই ধান চাষ করা যায় । যেমন নিচু জমিতে বোরো এবং জলি আমন চাষ করা যায় । মাটির অম্লত্বক থেকে নিরপেক্ষ অবস্থা ধান চাষের অনুকূল । মাটিতে জৈব পদার্থ  কম হলে কম্পোস্ট ব্যববহার করে এর মাত্রা বাড়িয়ে নেয়া যায় । প্রয়োজনীয় সার ব্যবহার করে মাটির উর্বরতা বাড়িয়ে নেয়া যায় । পরিশেষে বলা যায়, উপরোক্ত গুনাগুন যেহেতু পলি দো-আঁশ  মাটিতে বিদ্যমান থাকে না । তাই এ মাটি ধান চাষের উপযুক্ত নয় ।  

২ নং প্রশ্নের উত্তরঃ

আমার এলাকায় জন্মে এমন ফল,ফুল শাকসবজি ও মসলা জাতীয় ফসলের তালিকা নিচে দেয়া হলোঃ

ফুল জাতীয় ফসলঃ  গোলাপ,গাধা,রজনীগন্ধা ,হাসনাহেনা,ও বেলি । 

ফল জাতীয় ফসলঃ কলা,লেবু,আম,জাম,আনারস ও পেয়ারা । 

শাকসবজি জাতীয় ফসলঃ আলু,লাউ,গাজর.শষা,পালংশাক,মুলা । 

মসলা জাতীয় ফসলঃ পেয়াজ,রসুন,আদা,ধনিয়া,তেজপাতা ,জিরা । 

 

ফুলের অর্থনৈতিক গুরুত্বঃ  

১। ফুল সহজে চাষ প্রক্রিয়া ও অভিযোজন যোগ্যতার কারনে এটি বহুল জনপ্রিয়তা রয়েছে । 

২। ঝুলন্ত ঝুড়ি,মালা তৈরী ,বিয়ে বাড়িতে স্টেজ সাজানো ইত্যা[দিতে উপহার হিসাবে ব্যবহৃত হয় এতে বিক্রেতা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হয় । 

ফলের অর্থনৈতিক গুরুত্বঃ

১। যেহেতু দেশি ফল থেকে আমরা নানা ধরনের পুষ্টি পেয়ে থাকি তই এর গুরুত্ব আমাদের জীবনের নানা ক্ষেত্রে গুরুত্বপুর্ন অবদান রাখে । 

২। ফলের উৎপাদন ,বি৮পনন ব্যবস্থা .প্রক্রিয়াজাতকরন এগুলো যেহেতু শ্রমঘন কাজ বিধায় এগুলোতে কর্মসংস্থানের সুযোগ সুষ্টি হয় । 

শাকসবজির অর্থনৈতিক গুরুত্বঃ 

১। বিদ্যমান ক্ষেত্রে শাকসবজি বিক্রয় করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়া যায় । 

২। শাকসবজি উৎপাদন করে কৃষিখাতের মধ্যে দিয়ে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে অবদান রাখা যায় । 

মসলার অর্থনৈতিক গুরুত্বঃ 

১। বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ন অনুষ্ঠানে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় মসলা । 

২ ।  মসলার দাম নায্য থাকায় সবার ক্রয়ক্ষমতার ভিতরে থাকে । 

৬ষ্ঠ শ্রেনীর গার্হস্থ্য বিজ্ঞানের সমাধান (৬ষ্ঠ সপ্তাহের )

 

রচনামূলক প্রশ্নের উত্তরঃ ০১

শিশুর বিভিন্ন বৈশিষ্টের উপর ভিত্তি করে শিশুকাল …..বিস্তারিত নিচে

উত্তরঃ শিশুকালকে বিভাজন করা মানে হলো শিশুদের মধ্যও বৈষম্য সৃষ্টি করা । এতে করে তাদের মস্তিস্কে বিরুপ প্রভাব পরবে । শিক্ষার সুযোগ লাভ করা তাদের মৌলিক অধিকার । অধিকাংশ দেশেই সামাজিক দায়-দায়িত্বের অংশরুপে এবং অভিভাবকের দিক নির্দেশনায় কিংবা রাষ্ট্রের বাধ্যতামুলক শিক্ষানীতীর আলোকে শিশুরা বিদ্যালয়ে গমন করে । এছাড়াও ক্ষুদে শিশুরা কিন্টার গার্ডেন .প্রি-ক্যাডেট ও খেলার ছলে শৈশবকালীন প্রাথমিক শিক্ষাকে আনন্দময় ও আলোকিত করে তোলে । কিন্তু অনুন্নত দেশগুলোতে দেখা যায় মাতাপিতার সাথে শিশুদের ও শ্রমকার্যে জড়িয়ে পরতে লক্ষ্য করা যায় । আমাদের দেশে ও বিভিন্ন বৈশিষ্টের শিশু রয়েছে । প্রতিবন্ধি ,অটিষ্ট্রিক,শিশুরাও রয়েছে । তাই বৈষম্য না করে সবাইকে ভালো শিক্ষায় গড়ে তুলতে হবে । যাতে করে দেশের কোন শিশুর বৈশিষ্টগত দিকগুলো ফুটে না ওঠে । তবে বয়স অনুযায়ী শিশুদেরকে বিভাজন করা যেতে পারে । এতে কোন বিরুপ প্রভাব দেখা দেবে না । 

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের উত্তরঃ

(ক) বাবা-মায়ের প্রতি সম্মান

১। বাবা-মায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে । 

২। বাবা-মা যা বলে তা শুনতে হবে বা পালন করতে হবে । 

৩। বাবা-মায়ের প্রতি যত্নশীল হতে হবে । 

৪। বাবা-মায়ের অসুখ হলে সেবা করতে হবে । 

৫। বাড়ির কাজে তাদেরকে সাহায্য করতে হবে । 

শিক্ষকের প্রতি সম্মানঃ

১। শিক্ষকের প্রতি অনুগত থাকতে হবে । 

২। শিক্ষক কোন আদেশ দিলে তা পালন করতে হবে । 

৩। বিদ্যালয়ের বাড়ির কাজ শিক্ষককে সঠিক সময়ে বুঝিয়ে দিতে হবে । 

৪। শিক্ষককে প্রাতিষ্ঠানিক কাজে সাহায্য করতে হবে । 

৫। শিক্ষককের সামনে সব সময় ভাল আচরন করতে হবে । 

(খ) উত্তরঃ আমাদের প্রত্যহিক জীবনে বিভিন্ন বৈশিষ্টের শিশু রয়েছে । তাদের প্রতি আমাদের সৌহার্দ্যপূর্ন আচরন করা উচিৎ । যাতে তারা আমাদেরকে ভিন্ন চোখে না দেখে । এবং তাদের আচার-আচরনে আমাদেরকে সহনাভূতি দেখাতে হবে । যাতে তারা বুঝতে পারে তারাও আমাদের মতো স্বাভাবিক জীবনযাপন করছে । প্রতিবন্ধি বা অন্যন্য বৈশিষ্টের শিশুদের সাথে কেমন আচরন করতে হবে তা নিচে দেয়া হলো-

১। প্রতিবন্ধিদের প্রতি অসদাচরন, উপহাস,ঠাট্টা-তামাশা করা যাবে না । 

২। তাদেরকে সবসময় হাসি-খুসি রাখতে হবে । 

৩। তাদের পছন্দের জিনিসপত্র উপহার  দিতে হবে । 

৪। পছন্দের খেলনাপত্র নিয়ে তাদের সাথে খেলতে হবে । 

৫। যতটুকু সম্ভব তাদেরকে সময় দিতে হবে । 

৩ । বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস জানার পর তুমি কি ধরণের খাবার মজুদ করবে ? কেন ? এসব খাবারকে কী বলা হয় ?

উত্তরঃ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস জানার পর আমি পানি ,মুড়ি,পাউরুটি,বিস্কুট ইত্যাদি শুকনা জাতীয় খাবার মজুদ করে রাখবো । যাতে বন্যার কোন সম্ভাবনা থাকলে দূষিত পানি পান না করে বিশুদ্ধ পানি পান করা যায় । এবং বন্যায় বাড়ি,ঘর ডুবে গেলে নিরাপদ স্থানে গিয়ে যেন এসব খাবার খেয়ে ক্ষুদা নিবারন করা যায় ।

 ৪ । শীতের শেষে শীতকালীন পোশাকের যত্ন কিভাবে নিবে বুঝিয়ে লিখ ? 

উত্তরঃ শীতকাল শেষ হলেই শীতকালকে বিদায় জানানোর পালা । শীতকাল এলেই নানা ধরনের শীতের পোশাক নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট চলতেই থাকে । তেমনি শীতকাল চলে গেলে শীতের পোশাকগুলো  একটু যত্ন নিয়ে রাখলেই সব পোশাক গুলো ভাল থাকে । বা পরিচর্চা করলে শীতের পোশাকগুলোকে নতুনের মতো রাখা যায় । শীতের পোশাক ভাল রাখার উপায় নিচে দেয়া হলোঃ

১। ক্লাব সোডা দিয়ে সোয়েটার  বা কম্বল ভালভাবে পরিস্কার করা যায় । 

২। ভালভাবে ঝাকিয়ে পোশাক বা কাপড় পরিস্কার রাখা যায় । 

৩। ঠান্ড জল দিয়ে কাপড় ভাল রাখা যায় । 

৪। নিমপাতা দিয়ে কাপড় ধোয়া । 

৫। খোলা হাওয়াতে রাখা ইত্যাদি ।

মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম কী?

আমরা একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক মানুষ ! আজ সমস্ত পৃথিবী জুড়ে একটিমাত্র মানব প্রজাতি বিদ্যমান । এই মানব প্রজাতির বৈজ্ঞানিক নাম Homo sapiens (কোন কোন নৃতাত্ত্বিকদের মতে বর্তমানের মানুষ, Homo sapiens স্পিসিস -এর অন্তর্গত একটি উপ-স্পিসিস (sub-specis) Homo sapiens sapiens, অন্য উপ-স্পিসিসটি হল Homo sapiens idaltu, যার বিলুপ্তি ঘটেছে আজ থেকে প্রায় ১ লক্ষ ৬০ হাজার বৎসর পূর্বে) ! এই দুটি ল্যাটিন শব্দের অর্থ “জ্ঞানী মানুষ” । প্রাণী-বিজ্ঞানের ভাষায় এই মানুষ প্রজাতি Hominidae পরিবারের অন্তর্গত ।

Info: Google.com

Pin It on Pinterest

My title page contents