চুক্তিপত্র লেখার পদ্ধতি

চুক্তিপত্র লেখার পদ্ধতি

চুক্তিপত্র/দলিল লেখার পদ্ধতি

চুক্তিপত্র কিভাবে লিখতে হয়? চুক্তিপত্র বা দলিল লেখার পদ্ধতি/নিয়মাবলী বা শর্তাবলী নিচে www.kaziitzone.com বিভিন্ন বিজ্ঞ দলিল লেখক ও উকিলের সহযোগীতায় লেখা। চুক্তিপত্র বা দলিল কিভাবে লিখতে হয়? একটি অঙ্গীকারনামা কিভাবে লেখা যায় তা বাংলাদেশের রাষ্টীয় আইনে বৈধ কি? না? ডিড করার নিয়ম কি? কি? বিস্তারিত চুক্তিপত্র কি? চুক্তিপত্র কিভাবে লিখে? আগে দলিল লেখার পদ্ধতি আপনি একটু সময় দিয়ে পড়ে নিন।

চুক্তিপত্র কি, চুক্তিপত্র লেখার নিয়ম

হাসান আর বেলাল খুব ভাল বন্ধু। দুইজনের সম্পর্ক দেখে অনেকে ঈর্ষা করে। একবার বেলালের ব্যবসায়িক প্রয়োজনে কয়েক লাখ টাকার প্রয়োজন পড়ে। বন্ধুর বিপদে হাসান এগিয়ে আসে। হাসান রফিককে তিন মাস পরে ফেরত দেওয়ার প্রয়োজনে ৩ লাখ টাকা ধার দেয়। তিন মাস গেল টাকা দেওয়ার কোন খবর নাই। হাসান ভাবল বেলাল হয়ত খুব ব্যস্ত। আও তিন মাস গেল বেলার কোন খবর নাই। এবার হাসান বেলালকে টাকার কথা জিজ্ঞেস করলে বেলাল বলে কিছু দিনের মধ্যেই দিয়ে দিবে। এভাবে কেটে যায় আরো কিছু মাস। তিনি টাকা পরিশোধ করেননি। হসান সাহেব বন্ধুকে বিশ্বাস করে ধার দিয়েছিলেন। কিন্তু বেলাল সাহেব বিশ্বাস ভঙ্গ করেছেন। এ নিয়ে দুজনের সঙ্গে মনোমালিন্য। মৌখিক কোন কিছু না হওয়াতে কিছুদিন অতিবাহিত হওয়ার পর হাসান সাহেব আদালতে বেলাল সাহেবের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগে মামলা করেন। বন্ধুকে টাকা ধার দেওয়ার সময় কোনো সাক্ষী উপস্থিত ছিলেন না। টাকা ধার নেওয়ার কোনো লিখিত দলিলও নেই। আর এ কারণে দীর্ঘদিন আদালতে ঘুরেও করিম সাহেব মামলায় জিততে পারেননি। রহিম সাহেবকে আদালত বেকসুর খালাস দেন। দলিল লেখার পদ্ধতি

আমাদের দেশে এ রকম অনেক লোকই এরকম নানাভাবে প্রতারিত হচ্ছেন। লেনদেনের লিখিত চুক্তি বা দলিল থাকলে এভাবে কাউকে প্রতারিত হতে হয় না। টাকা-পয়সা লেনদেন করলে বা বাকিতে মাল বিক্রি করলে তা লিখিত দলিলে হওয়া উচিত।

চুক্তিপত্র না করা লাগলেও কমবেশি সবাই জানি চুক্তিপত্র জিনিসটা আসলে কি। নানা কাজে আমাদেরকে অন্যের সাথে নানাবিধ শর্তাবলী মেনে আমাদেরকে আমাদের ব্যবসায়িক বা ব্যক্তিগত কার্যক্রম সম্পাদন করতে হয়। এ সব শর্তাবলীর লিখিত রুপই হল চুক্তিপত্র।

চুক্তি এবং চুক্তিপত্র কি?

চুক্তিপত্র লেখার পদ্ধতি ১৮৭২ সালের চুক্তি আইন অনুযায়ী চুক্তি বলতে একজন সুস্থ মস্তিস্ক প্রাপ্ত বয়স্ক আইনের দৃষ্টিতে সাবালক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাথে কোন বস্তু অর্থের বিনিময়ে অথবা বস্তুর বিনিময়ে আদান প্রদান করার জন্য লিখিত ভাবে অংগীকারাবদ্ধ হওয়ার প্রক্রিয়াকে চুক্তি বলে । তবে এক্ষেত্রে কিছু শর্ত প্রযোজ্য হবে শর্তগুলি নিম্নে দেওয়া হলো।

চুক্তি সম্পাদনকারী ব্যক্তিকে অবশ্যই আইনের দৃষ্টিতে সাবালক, সুস্থ মস্তিস্ক সম্পন্ন ব্যক্তি হতে হবে।

প্রত্যেক চুক্তিতে অবশ্যই একজন অপর একজনকে প্রস্তাব প্রদান করবে এবং অপর ব্যক্তি উক্ত প্রস্তাব গ্রহণে সম্মতি জ্ঞাপন করে কোন কিছু প্রতিদান করতে হবে।

প্রতিদান ব্যতিত কোনো চুক্তিই কার্যকর হবে না । চুক্তিপত্র লেখার পদ্ধতি

অপর দিকে, অংশীদারি প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির মধ্যের চুক্তির বিষয়বস্তু যে দলিলে লিপিবদ্ধ থাকে তাকে অংশীদারি চুক্তিপত্র বলা হয়। অংশীদারি চুক্তিপত্রকে অংশীদারি প্রতিষ্ঠানের গঠনতন্ত্র বা সংবিধান হিসেবে আখ্যায়িত করা যায়। অর্থাৎ যে দলিলে অংশীদারি ব্যবসায়ের গঠন, উদ্দেশ্য, পরিচালনা পদ্ধতি, অংশীদারদের অধিকার ও দায়দায়িত্ব প্রভৃতি লিপিবদ্ধ থাকে তাকে অংশীদারি ব্যবসায়ের চুক্তিপত্র বলে।

চুক্তিপত্র কেন দরকার ?

ব্যবসা, লেনদেন, অঙ্গীকার অথবা অন্যান্য নানা প্রয়োজনে চুক্তি সম্পাদন করা লাগতে পারে। বাড়ি বা ফ্ল্যাট ভাড়া কিংবা বাড়ি বা ফ্ল্যাট কেনা-বেচার সময় চুক্তি করা প্রয়োজন পড়তে পারে । দোকান ক্রয়-বিক্রয় বা ভাড়ার সময় চুক্তিপত্রের দরকার পড়তে পারে।

মানুষ মাত্রই লেনদেনের সঙ্গে জড়িত। পণ্যদ্রব্য আমদানি-রপ্তানি, জমি-জমা ও ফ্ল্যাট ক্রয়-বিক্রয়, নগদ অর্থ ব্যাংকে জমা রাখা, ব্যাংকে মেয়াদি হিসাব খোলা, ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া, দোকান পজিশন ভাড়া দেওয়া-নেওয়া, জমি বন্ধক রাখা, নগদ অর্থ হাওলাত দেওয়া, হজ পালন কিংবা বিদেশ গমনের জন্য টাকা দেওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি। চুক্তিপত্র লেখার পদ্ধতি

লেনদেনের ঋণ, পূঁজির জন্য চুক্তিপত্র সম্পাদন প্রয়োজন। এ ছাড়া ব্যক্তিগত যেকোনো ধরনের কাজে চুক্তিনামা দরকার হয়। তবে চুক্তিপত্র ইচ্ছামত করলে হবে না । বরং সব ধরনের চুক্তির জন্যের কিছু বিধিবিধান রয়েছে।

আশ্বর্য্যের ব্যাপার হল, ইসলাম ধর্মে চুক্তিপত্র সম্পর্কিত একটি আকাট্য দলিল নাজিল হয়েছে। লেনদেন পরবর্তী অনাকাংখিত পরিস্থিতি এড়াতে লেনদেন করার পূর্বে উপযুক্ত স্বাক্ষীর উপস্থিতে চুক্তিপত্র সম্পাদনের জন্য কোরআনে তাগিদ দেয়া হয়েছে।

হে মুমিনগণ! যখন তোমরা কোন নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে ঋনের আদান-প্রদান কর, তখন তা লিপিবদ্ধ করে নাও এবং তোমাদের মধ্যে কোন লেখক ন্যায়সঙ্গতভাবে তা লিখে দেবে; লেখক লিখতে অস্বীকার করবে না। আল্লাহ তাকে যেমন শিক্ষা দিয়েছেন, তার উচিত তা লিখে দেয়া। এবং ঋন গ্রহীতা যেন লেখার বিষয় বলে দেয় এবং সে যেন স্বীয় পালনকর্তা আল্লাহকে ভয় করে এবং লেখার মধ্যে বিন্দুমাত্রও বেশ কম না করে। অতঃপর ঋণগ্রহীতা যদি নির্বোধ হয় কিংবা দূর্বল হয় অথবা নিজে লেখার বিষয়বস্তু বলে দিতে অক্ষম হয়, তবে তার অভিভাবক ন্যায়সঙ্গতভাবে লিখাবে। দুজন সাক্ষী কর, তোমাদের পুরুষদের মধ্যে থেকে। যদি দুজন পুরুষ না হয়, তবে একজন পুরুষ ও দুজন মহিলা। ঐ সাক্ষীদের মধ্য থেকে যাদেরকে তোমরা পছন্দ কর যাতে একজন যদি ভুলে যায়, তবে একজন অন্যজনকে স্মরণ করিয়ে দেয়। যখন ডাকা হয়, তখন সাক্ষীদের অস্বীকার করা উচিত নয়। তোমরা এটা লিখতে অলসতা করোনা, তা ছোট হোক কিংবা বড়, নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। এ লিপিবদ্ধ করণ আল্লাহর কাছে সুবিচারকে অধিক কায়েম রাখে, সাক্ষ্যকে অধিক সুসংহত রাখে এবং তোমাদের সন্দেহে পতিত না হওয়ার পক্ষে অধিক উপযুক্ত। কিন্তু যদি কারবার নগদ হয়, পরস্পর হাতে হাতে আদান-প্রদান কর, তবে তা না লিখলে তোমাদের প্রতি কোন অভিযোগ নেই। তোমরা ক্রয়-বিক্র য়ের সময় সাক্ষী রাখ। কোন লেখক ও সাক্ষীকে ক্ষতিগ্রস্ত করো না। যদি তোমরা এরূপ কর, তবে তা তোমাদের পক্ষে পাপের বিষয়। আল্লাহকে ভয় কর তিনি তোমাদেরকে শিক্ষা দেন। আল্লাহ সব কিছু জানেন। [ সুরা বাকারা ২:২৮২ ] দলিল লেখার পদ্ধতি

মনে রাখা উচিত, কেউ যদি কোনো ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে চুক্তিপত্রে আবদ্ধ হয় । তাহলে চুক্তির শর্তগুলো অবশ্যই মেনে চলতে হবে। চুক্তিপত্রের শর্ত মেনে চলার জন্যে স্বয়ং আল্লাহতায়ালা হুকুম দিয়েছেন। কারণ চুক্তিপত্রের শর্ত মানার মাধ্যমে পারস্পরিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক সর্ম্পক মজবুত হয় একই সাথে ব্যবসায়-বাণিজ্যের প্রসার ঘটে এবং এ সংক্রান্ত অনাকাংখিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। এ বিষয়ে কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে, যাদের সঙ্গে তোমরা চুক্তি করেছ, তারা (চুক্তি রক্ষার ব্যাপারে) এতটুকুও ত্রুটি করেনি- না তারা কখনও তোমাদের বিরুদ্ধে অন্য কাউকে সাহায্য করেছে, তাদের চুক্তি তাদের মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত অবশ্যই তোমরা মেনে চলবে।’ -সূরা তওবা: ৪ (দলিল লেখার পদ্ধতি হাদিসটি অনলাই হতে সংকলিত)

চুক্তিপত্র লেখার পদ্ধতি

ত্রুটিপূর্ণ যে কোন কিছুই ক্ষতিকর। তাই চুক্তিপত্র সম্পাদনের সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যেন চুক্তিপত্রে কোন ত্রুটি বা অপূর্ণতা না থাকে। একদম ছোট ছোট বিষয়গুলোও চুক্তিপত্রে উল্লেখ করতে হবে।

আপনার ব্যবসা বা ব্যক্তিগত কোন কাজ ছোট কিংবা বড় হোক যার বা যাদের সাথে চুক্তি করবেন চুক্তিতে কার কী রকম দায়দায়িত্ব, তা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। কোনোভাবেই ফাঁকফোকর রাখা যাবে না। ফাঁকফোকর থাকলে ভবিষ্যতে বড় রকমের জটিলতায় পড়তে পারেন।

প্রথমত, চুক্তিতে যেসকল পক্ষ অংশগ্রহণ করবে সে সব পক্ষের নাম ঠিকানা স্পষ্ট করতে উল্লেখ করতে হবে। আর যদি কোন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান হয় সে ক্ষেত্রে ঐ প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে।

যাদের সাথে চুক্তি করছেন, ঐ চুক্তি অনুসারে কার কতটুকু অংশ বা ভূমিকা থাকবে, কোন বিষয় নিয়ে কিংবা কাজ নিয়ে চুক্তি হচ্ছে ঐ সকল বিষয় উল্লেখপূর্বক চুক্তির শুরুর তারিখ থাকতে হবে। আর যদি চুক্তি নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে কবে চুক্তি শুরু হচ্ছে আর কবে চুক্তি শেষ হচ্ছে তার তারিখ উল্লেখ করে দিতে হবে।

অংশিদার ভিত্তিতে পূঁজি খাটালে চুক্তিতে পুঁজি কত , কে কত অংশ দিয়েছে, কিভাবে লভ্যাংশ আদায় হবে, ব্যবসার ব্যবস্থাপনা কেমন হবে প্রভৃতি বিষয় অবশ্যই থাকতে হবে। কোন কারনে সমস্যা দেখা দিলে সে সমস্যা কিভাবে নিষ্পত্তি করা হবে সেটিও চুক্তিতে উল্লেখ করে দিতে হবে। বিশেষ করে বিরোধ হলে আলোচনা কিংবা সালিসের মাধ্যমে তা নিষ্পত্তি করার সুযোগ থাকবে কি না, তার উল্লেখ অবশ্যই থাকা দরকার।

বর্তমানে সব ক্ষেত্রেই মীমাংসার মাধ্যমে যেকোনো বিরোধ নিষ্পত্তিকে উৎসাহিত করা হয়। তাই চুক্তিপত্রের একটি অনুচ্ছেদে এ-সংক্রান্ত শর্ত রাখা জরুরি। চুক্তিনামায় সালিস আইন ২০০১-এর মাধ্যমে নিষ্পত্তির বিধানটি রাখা যেতে পারে।

যারা যারা চুক্তিতে আবদ্ধ হচ্ছেন চুক্তির শেষে সেই সব পক্ষের স্বাক্ষর ও স্বাক্ষীদের স্বাক্ষর নিতে হবে। চুক্তি করার সময় নাবালক, পাগল, দেউলিয়া ব্যক্তি, সরকারি কর্মচারী, রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রী, বিদেশি রাষ্ট্রদূত, বিদেশি শত্রু ও দেশদ্রোহী ব্যক্তির সঙ্গে কোনো চুক্তি করা যাবে না।

অনলাইন ঘেটে একটা চুক্তিপত্র কি রকম হতে পারে সেটি হুবহু তুলে ধরছি। তবে আপনি আপনার প্রয়োজন অনুসারে চুক্তিপত্র সম্পাদন করবেন। প্রয়োজনে কোন উকিলের পরামর্শ নিতে পারেন।

অংশীদারী চুক্তিপত্র দলিল / অঙ্গীকারনামা লেখার নিয়ম

অত্র  চুক্তি নামা দলিল অদ্য ১৫/১২/২০২০ ইং তারিখে নিম্ন লিখিত পক্ষদ্বয়ের মধ্যে সম্পাদিত হইল।

১ম পক্ষ মোঃ শরিফুল ইসলাম, জন্মতারিখ-০১/০৫/১৯৬৮ ইং,

পিতা- মোঃ নমের উদ্দিন, মাতা- মোঃ ছাফিয়া বেগম

ঠিকানাঃ- সাকিন- চলবলা, ডাকঘর- সোনারহাট-৫৫২০, উপজেলা- কালীগঞ্জ, জেলা- লালমনিরহাট, জাতীয়তা- বাংলাদেশী, ধর্ম-ইসলাম, পেশা-ব্যবসা।

২য় পক্ষ কমল চন্দ্র রায়, জন্ম তারিখ- ২৩-০২-১৯৮৫, জাতীয় পরিচয়পত্র নং- ২৩৫৮৪৭৪৮৩৭,

পিতা- ভোলা নাথ বর্মা, মাতা- দমন্তি রানী

ঠিকানাঃ- সাকিন- চলবলা, ডাকঘর- সোনারহাট-৫৫২০, উপজেলা- কালীগঞ্জ, জেলা- লালমনিরহাট,  জাতীয়তা- বাংলাদেশী, ধর্ম- সনাতন, পেশা- ব্যবসা।

পরম করুণাময় মহান আল্লাহ তায়ালার নাম স্মরণ করিয়া অত্র অংশীদারী চুক্তিপত্র দলিলের আইনানুগ বয়ান আরম্ভ করিতেছি। যেহেতু আমরা পরস্পর পরস্পরকে দীর্ঘ দিন যাবত চিনি ও জানি। এমতাবস্থায় আমরা একত্রে ব্যবসা পরিচালনা করার ইচ্ছা প্রকাশ করায় আমরা উপরোক্ত পক্ষদ্বয় একমত হইয়া আলাপ আলোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ জটিলতা নিরসনকল্পে অদ্য হাজিরান মজলিশে স্বাক্ষীগণের মোকাবেলায় এই মর্মে গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে নিম্ন লিখিত শর্তাবলীর উপর আস্থা রাখিয়া ভবিষ্যৎ জটিলতা নিরসনকল্পে আমরা ১ম ও ২য় পক্ষদ্বয় অত্র ব্যবসায়িক চুক্তিপত্র দলিলে আবদ্ধ হইলাম।

শর্তাবলীঃ-

১। নিটিং অয়েল, কাটিং অয়েল, গ্রীজ ব্যবহৃত মোবিল প্রক্রিয়াজাত করণ মেসার্স ডেল্টা লুব্রিকেটিং এন্ড কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ, প্লট নং-বি-৫১, ঢাকা শিল্প ইন্ডাষ্ট্রিজ নগরী, বিসিক, কেরাণীগঞ্জে বিদ্যমান শিল্পটি যৌথভাবে পরিচালিত হইবে।

২। অত্র দলিল সহি সম্পাদনার তারিখ হইতে অত্র অংশীদারী ব্যবসার মেয়াদ শুরু হইবে এবং আইনানুগ রুপে অবসান না হওয়া পর্যন্ত অত্র ব্যবসা চলিবে।

৩। ব্যবসার মূল অফিস ঢাকা শহরের অবস্থিত থাকিবে, যাহার ঠিকানাঃ-১০২ দয়াগঞ্জ, সূত্রাপুর, জেলা-ঢাকা এবং অন্যান্য স্থানে উভয় পক্ষের লিখিত অনুমোদন লইয়া শাখা অফিস খোলা যাইবে।

৪। (ক) ব্যবসার অংশীদারগণের পুঁজি ১০,০০,০০০/- (দশ লক্ষ) টাকা তন্মধ্যে ১ম পক্ষ ৬০% এবং ২য় পক্ষ ৪০% ভাগে বিয়োগ করিবে এবং অংশীদারদের মালিকানার অংশ ১ম পক্ষ ৬০% এবং ২য় পক্ষ ৪০% ভাগে থাকিবে।

(খ) ব্যবসার এককালীন পুঁজি ছাড়াও যে কোন সময় ব্যবসার উন্নতির জন্য পুঁজির পরিমাণ হ্রাস বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।

৫। আর অংশীদারী ব্যবসার লাভ ক্ষতির অংশ ১ম পক্ষ ৬০% এবং ২য় পক্ষ ৪০% ভাগে বন্টন করা হইবে।

৬। প্রত্যেক (১) মাসে অন্তর অন্তর অত্র ব্যবসার লাভ ক্ষতির হিসাব প্রস্তুুত করা হইবে অংশ ১ম পক্ষ ৬০% এবং ২য় পক্ষ ৪০% ভাগে হিস্যা পক্ষগণের উপর ন্যস্ত হইবে তবে প্রতি মাসে লাভের শতকরা অংশ ১ম পক্ষ ৬০% এবং ২য় পক্ষ ৪০% ভাগে অত্র ব্যবসা রির্জাভ ফান্ডে জমা থাকিবে।

৭। আনুপাতিক ভিত্তিতে উভয় পক্ষ ব্যবসা সংক্রান্ত দায়দায়িত্ব পালন করিবে, তবে উভয় পক্ষের সর্বসম্মতিক্রমে জনাব মোঃ সামসুল আলম ব্যবস্থাপনা অংশীদার হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবেন। তিনি সভায় সভাপতিত্ত্ব করবেন এবং তাঁর স্বাক্ষরে ব্যাংক বিসিকসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে চিঠিপত্র এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজে ব্যবস্থাপনা অংশীদার জনাব মোঃ সামসুল আলমকে বিসিক ঢাকা (কেরাণীগঞ্জ) শিল্প নগরীতে প্লট ক্রয় বিক্রয়ের সর্বময় ক্ষমতা দেয়া হলো এবং তাকে দলিল সম্পাদনের ক্ষমতা দেয়া হইল।

৮। এই চুক্তিনামায় যে কোন পরিবর্তন, পরিবর্ধন করিবার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে উভয় পক্ষের সর্বসম্মতিক্রমে উহা সম্পন্ন হইবে।

৯। কেবলমাত্র উভয় পক্ষের সম্মতিতে এই চুক্তিনামা বাতিল বা ব্যবসা বন্ধ ঘোষনা করা যাইবে।

১০। ব্যবসা চলাকালিন সময়ে আল্লাহ না করুন যদি কোন পক্ষের কেউ মৃত্যুবরন করেন তাহা হইলে মৃত্যুব্যক্তির উত্তরাধিকারীগণ মৃত্যুবরনকারী অংশীদারের অংশ ভোগ করিবেন এবং ঐ অংশের অংশীদার হিসাবে গন্য হইবেন ও সকল প্রকার দায়দায়িত্ব পালন করিবেন।

১১। উভয়পক্ষের কেহ যদি ব্যবসা চলাকালীন সময়ে কোন কারণে স্ব-ইচ্ছায় অবসর নিতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন তবে তাহাকে অন্ততপক্ষে তিন মাস পূর্বে অপর পক্ষকে নোটিশ প্রদান করিতে হইবে।কোন পক্ষ যদি তাহার নিজ অংশ হস্তান্তর করিতে চাহেন তবে অবশ্যই নিজেদের মধ্যে আলোচনা করিয়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতে হইবে, এক পক্ষ ক্রয় করিতে না চাহিলে সমঝোতার ভিত্তিতে বাহিরের কারো কাছে বিক্রয় করিতে পারিবেন।

১২। যদি কোন কারণে ব্যবসায়িক বিষয় লইয়া উভয় পক্ষের মধ্যে কোন মতবিরোধের সৃষ্টি হয় তাহা হইলে বিরোধীয় পরস্পর আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে মিটমাট করিবেন অথবা উভয় পক্ষের নির্ধারিত/নির্বাহিত একজন এবং উভয় পক্ষের সমন্বয়ে শালিস পরিষদ গঠন করিয়া উক্ত শালিস পরিষদের মাধ্যমে বিষয়টি মিটমাট করিবেন।

১৩। অত্র চুক্তির কার্যকারীতা শুধুমাত্র উল্লেখিত ব্যবসায় ক্ষেত্রে কার্যকরী হইবে।

এতদ্বার্থে স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে ,সুস্থ শরীরে অন্যের বিনা প্ররোচনায় আমার উল্লেখিত পক্ষগন নিম্মে উল্লেখিত স্বাক্ষীগণের সম্মুখে নিজ নিজ স্বাক্ষর করিয়া অত্র অংশীদারী দলিল সম্পাদন করিলাম । অত্র দলিল কম্পোজকৃত এবং স্বাক্ষী ( ৩ ) জন বটে। না বুঝলে ভালো করে দলিল লেখার পদ্ধতি পড়ে নিন।

স্বাক্ষীগণের স্বাক্ষর ও ঠিকানাঃ-

১।

২।

৩।

১ম পক্ষের স্বাক্ষর২।

—————–

২য় পক্ষের স্বাক্ষরমুসাবিদাকারক( হাসিব)

এস, অফিস গুলশান, ঢাকা।

সনদ নং-১২**

যেভাবে সম্পাদিত হবে বা কত টাকার স্ট্যাম্প ব্যবহার করতে হয় ( চুক্তিপত্র লেখার পদ্ধতি/অঙ্গীকারনামা লেখার নিয়ম )

সাধারণত আমাদের দেশে কেউ কারো সাথে কোন চুক্তিপত্র/দলিল করতে গিয়ে ইচ্ছে মাফিক ৫০, ১০০, বা ১৫০ টাকার স্ট্যাম্পে চুক্তিপত্র/দলিল তৈরি করে থাকে। আসলে কিন্ত এটি সঠিক নয়। সাধারণত চুক্তিপত্র করতে হয় ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে। তবে ক্ষেত্রবিশেষে এর ব্যতিক্রম হতে পারে। যেমন

অংশীদারি ব্যবসায়িক চুক্তিপত্র করতে হয় ২ হাজার টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে। ব্যবসার মূলধন ৫০ হাজার টাকার নিচে হলে ১ হাজার টাকার স্ট্যাম্পে চুক্তি করলেই চলবে।

রাজউকের প্লট এবং ট্যাক্সের দলিলের জন্য মূল্যের ওপর ২ শতাংশ টাকার সমমানের স্ট্যাম্প।

ট্রাস্ট ডিড-ক্যাপিটাল দলিলের জন্য মূল্যের ওপর ২ শতাংশ টাকার সমমানের স্ট্যাম্প

অছিয়তনামার কপির জন্য ৩০ টাকার স্ট্যাম্প ।

নকলের কবলা দলিল, বন্ড, বণ্টননামা, সার্টিফাইড কপির দলিলের জন্য ৫০ টাকার স্ট্যাম্প ।

অনুলিপি, খাস-মোক্তারনামা দলিলের জন্য ১০০ টাকার স্ট্যাম্প ।

হলফনামা, বায়নার হলফনামা, হেবার ঘোষণাপত্র, নাদাবি পত্র, বাতিলকরণ দলিলের জন্য ২০০ টাকার স্ট্যাম্প ।

চুক্তিনামা দলিল, অঙ্গীকারনামা, বায়নানামার দলিল, মেমোরেন্ডাম অব অ্যাগ্রিমেন্ট

রিডেম্পশন, সোলেনামা বা আপসনামার দলিলের জন্য ৩০০ টাকার স্ট্যাম্প ।

আমমোক্তারনামা দলিল এবং সাফকবলা দলিলের জন্য ৪০০ টাকার স্ট্যাম্প

তালাকের হলফনামার দলিলের জন্য ৫০০ টাকার স্ট্যাম্প ।

মর্টগেজ বা বন্ধকের দলিল সম্পাদনের ক্ষেত্রে-

ক. এক টাকা থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ২০০০ টাকা

খ. ২০ লাখ এক টাকা থেকে এক কোটি টাকা পর্যন্ত পাঁচ হাজার টাকার স্ট্যাম্প।

গ. এক কোটি এক টাকার ওপরের ক্ষেত্রে পাঁচ হাজার টাকার এবং প্রতি লাখের জন্য ২ শতাংশ হারে মোট টাকার মূল্যমানের স্ট্যাম্পে সম্পাদন করতে হবে।

সাধারণ চুক্তিপত্র নোটারি পাবলিক বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে নোটারাইজড করতে হবে। অংশীদারি চুক্তিরÿক্ষেত্রে নিবন্ধন করাতে হবে রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ থেকে। কোনো জমি বা ফ্ল্যাট কিনতে বায়নানামা সম্পাদন করার প্রয়োজন হতে পারে। বায়নানামাও একধরনের চুক্তি। তবে বায়নানামা সম্পাদন করলে তা অবশ্যই সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে এবং রেজিস্ট্রশন বাধ্যতামূলক। মনোযোগ সহকারে দলিল লেখার পদ্ধতি পড়ে নিন।

চুক্তি ভঙ্গের ক্ষেত্রে আইনগত আশ্রয়/ চুক্তিপত্র লেখার পদ্ধতি/অঙ্গীকারনামা লেখার নিয়ম

যদি আপনি চুক্তিনামা উপরে উল্লেখিত নিয়মে করে থাকেন সে ক্ষেত্রে কেউ যদি চুক্তি ভংগ করে আপনি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন। বাংলাদেশে প্রচলিত দণ্ডবিধির ৪২০ ধারা ও ৪০৬ ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যায় সহজেই। আদালতে অভিযোগ প্রমাণ করাও সহজ হয়। টাকা ধার নিয়ে বা বাকিতে মাল নিয়ে টাকা পরিশোধ না করা প্রতারণা। [অঙ্গীকারনামা লেখার নিয়ম]

আর এই প্রতারণার শাস্তির বিধান রয়েছে দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায়। এ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণা করে এবং প্রতারণার কারণে প্রতারিত ব্যক্তিকে কোনো সম্পত্তি দিতে বাধ্য করে তাহলে প্রতারণাকারীকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয় প্রকার দণ্ড দেওয়া যেতে পারে। দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি বিশ্বাস ভঙ্গ করে তাহলে তাকে তিন বছর কারাদণ্ড দেওয়া যাবে। অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে বা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে। লেনদেনের দলিল বা ডকুমেন্টস থাকলে কেউ প্রতারণা করার সাহস পাবে না। দলিল লেখার পদ্ধতি ভালো করে পড়ুন।

শেষ কথা প্রত্যেকের মনে রাখা দরকার, অর্থই অনর্থের মূল। এই অর্থের কারণেই বন্ধু, আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হয়। অনেক সময় সামান্য টাকার জন্য খুনোখুনির ঘটনাও আমাদের দেশে চোখে পড়ে। কাজেই এখন থেকে প্রতিটি আর্থিক লেনদেনই লিখিত চুক্তির মাধ্যমে হওয়া উচিত। লেনদেনের দলিল বা ডকুমেন্টস থাকলে কেউ প্রতারণা করার সাহস পাবে না। লিখিত চুক্তিপত্র থাকলে আইনের আশ্রয় নেওয়া যায়। যা মৌখিক কিংবা অলিখিত লেনদেনের ক্ষেত্রে সম্ভব হয় না।

সূত্রঃ অনলাইন

সতর্কতাঃ  (অঙ্গীকারনামা লেখার নিয়ম )তথ্যগুলো অনলাইনের নানা ওয়েব পোর্টাল থেকে সন্নিবেশ করা হয়েছে। প্রয়োজনে নিবন্ধিত উকিলের পরামর্শ গ্রহণ করে চুক্তি সম্পাদন করুন। কোন সমস্যায় কোন ভাবেই লেখককে দায়ী করা যাবে না। লেখাটি শুধুমাত্র চুক্তি নিয়ে ধারনা দেবার জন্যে সম্পাদিত হয়েছে। চুক্তিপত্র লেখার পদ্ধতিতে আমরা কোন প্রকার দায়ী থাকিব না।

general knowledge

general knowledge

General Knowledge – সাধারন জ্ঞান

General Knowledge  recent common knowledge in Bangladesh. We are collect general knowledge from the daily magazine, the daily newspaper, current affairs, current affairs pdf, current affairs today, current affairs, latest current affairs questions and answers, current affairs 2021 quiz, current affairs 2021, daily current affairs, – আজকের সাধারন জ্ঞান, এ সপ্তাহের সাধারন জ্ঞান, মাসিক সাধারন জ্ঞান, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনা বা বিষয়াবলী সমূহ এক নজরে দেখুন

১. বাংলাদেশের প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা – শশাঙ্ক ।

২. বাংলার প্রথম দীর্ঘস্থায়ী রাজ বংশের নাম -পাল বংশ( প্রায় ৪০০ বছর) ।

৩. মুল্যনিয়ন্তন নীতির প্রবর্তক – আলাউদ্দিন খলজি ।

৪. ‘ বাংলার আকবর’ বলা হতো যে নরপতিকে – হুসেন শাহকে ।

৫. Prince of Builders বলা হতো – সম্রাট শাহজানকে ।

৬. বাংলার স্বাধীন রাজবংশের প্রতিষ্ঠা করেন মুর্শিদকুলি খান ।

৭. প্রথম অবৈতনিক শিক্ষা আইন প্রনয়ন করা হয় – একে ফজলুল হকের সময় ।

৮. ভাষা আন্দোলনের মুখপাত্র ছিল পত্রিকা – সাপ্তাহিক সৈনিক ।

Today General Knowledge – আজকের সাধারন জ্ঞান

৯. যুক্তফন্ট মন্ত্রিসভার সর্বমোট সদস্য ছিল – ১৪ জন ।

১০. গনতন্ত্রের মানসপুত্র হিসেবে খ্যাত – হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দি ।

১১. রামসাগর দিঘি অবাস্থিত – দিনাজপুরে ।বাংলা একাডেমির মুল ভবনের নাম – বর্ধমান হাউস ।

১২. বাংলাদশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম – ড. কুদদরত-এ-খোদা শিক্ষা কমিশন (১৯৭২) ।

১৩. বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে – ১৫ জুন ১৯৯৭ ।

১৪. রাজবংশি উপজাতি বাংলাদেশের যে অন্চলে বাস করে – উত্তরান্চলে ।

১৫. বাংলাদেশ শিশু একাডেমি  প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৯৭৬ সালে ।

১৬. ভোমরা স্থলবন্দর বাংলাদেশের যে জেলায় অবস্থিত – সাতক্ষীরা ।

১৭. বাংলাদেশ ক্রিয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ( বিকেএসপি) অবস্থিত – সাভারে ( ঢাকা)

১৮. প্রাখমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৯৮১ সালে ।

১৯. শিক্ষঅর জন্য খাদ্য (Food For Education ) কর্মসূচি চালু হয় -১৯৯৩ সালে ।

২০. শিখ ধর্মাবলম্বিদের উপসনালয়ের নাম – গুরুদুয়ারা নানকশাহি ।

২১. মহামুনি বিহার আবস্থিত – চট্রগ্রামের রাউজানে ।

২২. জাতীয় জাদুঘর চালু হয় – ১৯১৩ সালে ।

২৩. বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ – মহেশখলী ।

২৪. বিদ্যুতের প্রি-প্রেইড মিটার আবিষ্কার করে যে বিশ্ববিদ্যালয় – প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়(BUET)।

২৫.নদী ছাড়া ‘মহানন্দা’ উন্নত জাতের – আম ।

২৬. বাংলাদেশে প্রথম কৃষিশুমারি চালু হয় – ১৯৭৭ সালে ।

২৭. ’নাসিরাবাদ’ যে জেলার পূর্বনাম-ময়মনসিংহ ।

২৮. বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্টীয় পুরস্কার – স্বাধীনতা পুরস্কার ।

২৯. বাংলাদেশের রাষ্টীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার এ এন সাহা ।

This Week General Knowledge – এ সপ্তাহের সাধারন জ্ঞান

৩০. ‘কোর্ড অব রেকর্ড বলা হয় – সুপ্রিম কোর্টকে ।

৩১. এশিয়ার যে দেশটি কখনই কোন দেশের উপনিবেশ ছিল না- থাইল্যান্ড ।

৩১. আফ্রিকার মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রমকারী রেখার নাম – বিষুবরেখা ।

৩২. বজ্রপাতের দেশ বলা হয় – ভুটানকে ।

৩৩. দক্ষিন আমেরিকার একমাত্র যে দেশের ভাষা পর্তুগিজ- ব্রাজিল ।

৩৪. ইথিওপিয়ার মুদ্রার নাম – বির ।

৩৫. পৃথিবীর সর্বাধিক লোক যে ভাষায় কথা বলে – মান্দারিন চীনা ভাষায়)

General Knowledge

General Knowledge

চাকরিতে আসার মতো সাধারন জ্ঞান

চাকরির পরিক্ষায় আসার মতো চলতি ঘটনা

চাকরির পরিক্ষার সাধারন জ্ঞান

এ্যাসাইনমেন্ট ৬ষ্ঠ শ্রেণি

এ্যাসাইনমেন্ট ৬ষ্ঠ শ্রেণি

৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত ৪র্থ অ্যাসাইনমেন্ট ( ৪র্থ সপ্তাহের জন্য )

এ্যাসাইনমেন্ট ৬ষ্ঠ শ্রেণির ৪র্থ সপ্তাহের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মাধ্যামক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক প্রকাশিত ১৭/১১/২০২০ ইং

 

Assignment Class 6 English – ৬ষ্ঠ শ্রেণির ইংরেজী এ্যাইনমেন্ট ৪র্থ সপ্তাহের

৬ষ্ঠ শ্রেণির এ্যাসাইনমেন্ট বিজ্ঞান – ৪র্থ সপ্তাহের জন্য – Class 6 Science Assignment for 4th Week

এ্যাইনমেন্ট ৬ষ্ঠ শ্রেণি বিষয়ঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

 

মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম কী?

আমরা একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক মানুষ ! আজ সমস্ত পৃথিবী জুড়ে একটিমাত্র মানব প্রজাতি বিদ্যমান । এই মানব প্রজাতির বৈজ্ঞানিক নাম Homo sapiens (কোন কোন নৃতাত্ত্বিকদের মতে বর্তমানের মানুষ, Homo sapiens স্পিসিস -এর অন্তর্গত একটি উপ-স্পিসিস (sub-specis) Homo sapiens sapiens, অন্য উপ-স্পিসিসটি হল Homo sapiens idaltu, যার বিলুপ্তি ঘটেছে আজ থেকে প্রায় ১ লক্ষ ৬০ হাজার বৎসর পূর্বে) ! এই দুটি ল্যাটিন শব্দের অর্থ “জ্ঞানী মানুষ” । প্রাণী-বিজ্ঞানের ভাষায় এই মানুষ প্রজাতি Hominidae পরিবারের অন্তর্গত ।

Info: Google.com

rmu

rmu

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

ইতিহাস

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম অস্থায়ী কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল ২০১৭ সালে। শিক্ষা ও চিকিৎসা কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন এবং রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের সকল সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল কলেজ, নার্সিং কলেজ বা ইনস্টিটিউটসমূহ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অধিভুক্তকরণ এবং সঠিক ভাবে তার তদারকি করার লক্ষ নিয়েই প্রতিষ্ঠিত হয় রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।

প্রতিষ্ঠার কারণ

রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের সরকারি-বেসরকারি সব চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা হবে প্রায় ৪০টি এই সকল প্রতিষ্ঠান সঠিক ভাবে কার্য পরিচালনা করে কিনা তার নজরদারির করার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয় রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় । এর মধ্যে পড়বে মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ, নার্সিং কলেজ, ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজিসহ (আইএইচটি)চিকিৎসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ।

অনুষদ সুমহ

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯টি অনুষদের অধীনে ৮৫টি ডিসিপ্লিনে চিকিৎসা ক্ষেত্রে উচ্চতর ডিগ্রি প্রদান।

অবস্থান

বর্তমানে ইউনিভার্সিটির কার্যক্রম অস্থায়ী ভাবে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে পরিচালিত হচ্ছে। বাংলাদেশ সরকার ২০১৭/১৮ অর্থবছরে ইউনিভার্সিটির জন্য ১৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিলেও মূল ক্যাম্পাসের জন্য জমি অধিগ্রহন করা সম্ভব হয় নি। রাজশাহী মহানগরীর নওদাপাড়া এলাকায় ৫০ একর জায়গা অধিগ্রহনের কাজ প্রক্রিয়াধীন আছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত প্রতিষ্ঠান

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের সকল সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল কলেজ, নার্সিং কলেজ বা ইনস্টিটিউটসমূহ অধীভুক্তকরন। এর মধ্যে আছে ১০ টি সরকারী মেডিকেল কলেজ, ১৩ টি বেসরকারী মেডিকেল কলেজ, ২টি সরকারী ডেন্টাল কলেজ/ডেন্টাল ইউনিট, ৫টি বেসরকারী ডেন্টাল কলেজ/ডেন্টাল ইউনিট, ৪ টি সরকারী নার্সিং কলেজ, ১২ টি বেসরকারী নার্সিং কলেজ, ১টি সরকারী মেডিকেল ইনস্টিটিউট ও ৩ টি বেসরকারী মেডিকেল ইনস্টিটিউট। মোট ৫০ টি প্রতিষ্ঠান এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে রয়েছে।

(সরকারি) মেডিকেল কলেজসমূহ :

১. রাজশাহী মেডিকেল কলেজ
২. রংপুর মেডিকেল কলেজ
৩. খুলনা মেডিকেল কলেজ
৪.পাবনা মেডিকেল কলেজ
৫. শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ
৬. শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ
৭. যশোর মেডিকেল কলেজ
৮. দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ
৯. কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ
১০. সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ
১১. নওগাঁ মেডিকেল কলেজ
১২. মাগুরা মেডিকেল কলেজ
১৩. নীলফামারী মেডিকেল কলেজ

(বেসরকারি) মেডিকেল কলেজসমুহ

১. আদ-দ্বীন সখিনা মেডিকেল কলেজ, যশোর
২. গাজী মেডিকেল কলেজ, খুলনা
৩. প্রাইম মেডিকেল কলেজ, রংপুর
৪. রংপুর কমিউনিটি মেডিকেল কলেজ, রংপুর
৫. বারিন্দ মেডিকেল কলেজ, রাজশাহী
৬. ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ, রাজশাহী
৭. খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ, সিরাজগঞ্জ
৮. নর্থ বেঙ্গল মেডিকেল কলেজ, সিরাজগঞ্জ
৯. টি.এম.এস.এস. মেডিকেল কলেজ, বগুড়া
১০. নর্দান প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ, রংপুর
১১. খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ, খুলনা
১২. শাহ মখদুম মেডিকেল কলেজ, রাজশাহী

(সরকারি) ডেন্টাল কলেজ 

১. ডেন্টাল ইউনিট, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ
২. ডেন্টাল ইউনিট, রংপুর মেডিকেল কলেজ

(বেসরকারি) ডেন্টাল কলেজ 

১. উদয়ন ডেন্টাল কলেজ, রাজশাহী
২. রংপুর ডেন্টাল কলেজ
৩. টি এম এস এস মেডিকেল কলেজ, বগুড়া
৪. ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ (ডেন্টাল ইউনিট), রাজশাহী
৫. খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ (ডেন্টাল ইউনিট), সিরাজগঞ্জ

(সরকারী) নার্সিং কলেজ

১. রাজশাহী নার্সিং কলেজ
২. বগুড়া নার্সিং কলেজ
৩. দিনাজপুর নার্সিং কলেজ
৪. রংপুর নার্সিং কলেজ

(বেসরকারী) নার্সিং কলেজ 

১. উদয়ন নার্সিং কলেজ
২. ইসলামী ব্যংক নার্সিং কলেজ
৩. রাজশাহী ডায়াবেটিক এসোসিয়েশন নার্সিং কলেজ,
৪. মির্জা নার্সিং কলেজ
৫. আইডিয়াল নার্সিং কলেজ, বগুড়া
৬. খাজা ইউনুস আলী নার্সিং কলেজ, সিরাজগঞ্জ
৭. টিএমএসএস নার্সিং কলেজ,বগুড়া
৮. সাখাওয়াত এইচ মেমোরিয়াল নার্সিং কলেজ, সিরাজগঞ্জ
৯. প্রাইম নার্সিং কলেজ,রংপুর
১০. রংপুর কমিউনিটি নার্সিং কলেজ,রংপুর
১১. আনোয়ারা নার্সিং কলেজ,দিনাজপুর
১২. কেয়ার নার্সিং কলেজ,দিনাজপুর

(সরকারী) মেডিকেল ইনস্টিটিউট

১. ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, রাজশাহী

(বেসরকারী) মেডিকেল ইনস্টিটিউট 

১. প্রাইম ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল টেকনোলজি, রাজশাহী
২. প্রাইম ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স এন্ড মেডিকেল টেকনোলজি, রংপুর (দ্ব্যর্থতা নিরসন)
৩. হামদার্দ ইউনানী মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটাল, বগুড়া

Rajshahi Medical University is a Government Medical University situated in Rajshahi, Bangladesh

সুত্র: ইউকিপিডিয়া

bsmmu

bsmmu

 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

ইতিহাস: 

চিকিৎসা শিক্ষায় স্নাতকোত্তর কোর্স প্রদানের জন্য ১৯৬৫ সালে ঢাকায় ইনস্টিটিউট অব পোস্ট গ্রাজুয়েট মেডিসিন অ্যান্ড রিসার্চ (IPGMR) প্রতিষ্ঠিত হয়। স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষা ও গবেষণার দায়িতপ্রাপ্ত হলেও এই সংস্থার ডিগ্রি প্রদানের ক্ষমতা ছিল না। এটি ন্যস্ত হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর। IPGMR কার্যক্রমসহ অনেকগুলি চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ের এম.বি.বি.এস ডিগ্রি প্রদান করত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৯৮ সালের ৩০ এপ্রিল সংসদীয় অধ্যাদেশের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়। এমবিবিএস কোর্স চালু করা হলেও এই প্রতিষ্ঠানে পূর্বাপর কেবল স্নাতকোত্তর শিক্ষা প্রদান করা হতো।

উপাচার্য:

  • এম. এ. কাদেরি (৩০ এপ্রিল ১৯৯৮ – ৯ জানুয়ারী ২০০১)
  • মো. তাহির (১০ জানুয়ারী ২০০১ – ১৭ মে ২০০১)
  • মাহমুদ হাসান (১৮ মে ২০০১ – ২৩ নভেম্বর ২০০১)
  • এম. এ হাদি (২৪ নভেম্বর ২০০১ – ২১ ডিসেম্বর ২০০৬)
  • মো. তাহির (২১ ডিসেম্বর ২০০৬ – ৪ নভেম্বর ২০০৮)
  • মো. নজরুল ইসলাম (৫ নভেম্বর ২০০৮ – ২৪ মার্চ ২০০৯)
  • প্রাণ গোপাল দত্ত (২৫ মার্চ ২০০৯ – ২৪ মার্চ ২০১৫)
  • কামরুল হাসান খান (২৪ মার্চ ২০১৫ – ২৩ মার্চ ২০১৮)
  • কনক কান্তি বড়ুয়া (২৪ মার্চ ২০১৮ – বর্তমান)

বর্ণনা:

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নামানুসারে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়টির নামকরণ করা হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি হাসপাতাল আছে যাতে উন্নতমানের চিকিৎসা প্রদানের আয়োজন আছে। প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য ছিলেন অধ্যাপক কাদরী।[৩] বিশ্ববিদ্যালয়টিতে মোট পাঁচটি বহুতল ভবন আছে; ব্লক এ, বি, সি, ডি এবং কেবিন ব্লক। শিক্ষা,গবেষণা এবং চিকিৎসা সমান্তরালভাবে চলে এই মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়টিতে। শুক্রবার এবং সরকারী ছুটির দিন ছাড়া সকাল আটটা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত প্রশাসনিক দপ্তর খোলা থাকে।

অবস্থান:

ঢাকার শাহবাগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত। ঠিক পাশেই রয়েছে আরেকটি প্রতিষ্ঠান ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন ইন ডায়াবেটিস, এন্ডোক্রাইন অ্যান্ড মেটাবোলিক ডিসঅর্ডারস (বারডেম)।

অনুষদ সমূহ:

ক্যাজুয়ালটি ডিপার্টমেন্ট, মেডিসিন বহির্বিভাগ, সার্জারি, নিউরোসার্জারি,, গ্যাস্ট্রোএন্টারলজি, হেমাটোলজি, হেমাটোলজি, সাইকিয়াট্রি, পিডিয়াট্রিক সার্জারি এবং এবং হাসপাতালের ডিসপেনসারি আলাদা একটি কমপ্লেক্সে অবস্থিত।

আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন উইকিমিডিয়া / বিএসএমএমইউ

সুত্র: ইউকিপিডিয়া

Pin It on Pinterest

My title page contents